যাদবপুর মানে অরাজকতা নয়
এই দেশে আর কটা সিভালকার আছেন!
পদ্মাকর সিভালকার নিছক একজন গড়পড়তা ক্রিকেটার ছিলেন না। ভারতীয় ক্রিকেটে কটা রাজিন্দার গোয়েল বা সিভালকার জন্মেছেন? কোনও টেস্ট না খেলেও তাঁরা টেস্ট খেলিয়েদের চেয়ে বেশি সমীহ আদায় করে নিয়েছেন। কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা হয়তো টেস্ট খেলেননি। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে যাঁদের অবদান হিমালয়সম। তেমনই এক হিমালয়ের নাম পদ্মাকর সিভালকার। কেরিয়ারে পাঁচশোর উপর উইকেট। এই দেশে কজনের আছে! অথচ, মৃত্যুর পরেও কী উপেক্ষাই না জুটল!
অমিত শাহ আস্ত বোঝা, বঙ্গ বিজেপি কবে আর বুঝবে!
এই সিবিআই কে চালায়? তৃণমল চালায় না। সিপিএম চালায় না। কংগ্রেসও চালায় না। দেশের সবথেকে অপদার্থ একটি সংস্থার দায়িত্বে এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনিই সিবিআই–কে এমন হাস্যকর জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি নাকি আয়রন ম্যান। তিনি নাকি চানক্য। তিনি নাকি দারুণ সাহসী। তাহলে সিবিআই মাসের পর মাস ঘুমিয়ে থাকে কেন? সত্যি করে বলুন তো, এমন ব্যর্থ এবং এমন ভীতু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই দেশ কখনও দেখেছে? এমন সীমাহীন ব্যর্থতার পর তিনি কিনা এই রাজ্যে এসে কর্মীদের চাঙ্গা করেন।
মিল্লার সার্টিফিকেট, কী জানি বাবলুদার মনে আছে কিনা
সেটাই ছিল সুব্রত ভট্টাচার্যর শেষ বছর। ১৭ বছর খেলা হয়ে গেছে। রজার মিল্লার কাছে প্রশ্ন এল, সুব্রতকে কেমন দেখলেন? বেচারা মিল্লা! বেমালুম বলে দিলেন, প্রমিশিং, ব্রাইট ফিউচার। এমনই স্মৃতি তুলে আনলেন রজত বসু।
ছোটবেলার সঙ্গী, বড়বেলারও সঙ্গী
আমাদের অনেকেরই ছোটবেলা কেটেছে তাঁর বই পড়ে। বয়স বাড়লেও নেই নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। এখনও পাড়ায় কুকুর দেখলে মনে পড়ে যায় পঞ্চুর কথা। বাবলু, ভোম্বল, বিলু, বাচ্চু, বিচ্চুরা আমাদের খুব একটা অচেআ নয়। আমি পড়েছি। আমার বাবার ছোটবেলাটাও তাঁর লেখা পড়েই কেটেছে।
মাধ্যমিকের পরে, সেই স্মরণীয় তিনটে মাস
পলাশ দেখতে নয়, শীতের সময় আসুন
হোলির ঠিক আগে যেন বাঁকুড়া–পুরুলিয়ায় যাওয়ার ধুম লেগে যায়। ট্রেনে টিকিট পাওয়া যায় না। হোটেলে ঘর পাওয়া যায় না। সব নাকি অনেক আগে থেকেই বুকড। সবার ধারণা, এই সময়টায় নাকি বাঁকুড়া বা পুরুলিয়া যাওয়ার আদর্শ সময়। কিন্তু যাঁরা গেছেন, তাঁরা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন।
