এথিক্স কমিটির চেয়ারম্যানের সাংসদ পদ আগে খারিজ হোক
কী আলোচনা হল, বাইরে এসে বলে দিচ্ছেন। কে কী চিঠি জমা দিল, সেগুলো বাইরে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। মিডিয়ার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এমনকী এথিক্স কমিটি কী সুপারিশ করতে চলেছে, সেই লিখিত বয়ানও পৌঁছে যাচ্ছে আদানির পোষ্য মিডিয়ার কাছে। মহুয়া নয়, এই গুণধর চেয়ারম্যানের আগে বিচার হওয়া দরকার। দেশের নিরাপত্তার জন্য মহুয়া নন, চেয়ারে বসে থাকা এই অপদার্থ লোকগুলো অনেক বেশি বিপজ্জনক।
অবশেষে বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধল সুপ্রিম কোর্ট
আড়াল থেকেই এমন মহাকাব্য লেখা যায়
এই লেখা কারও নামে বেরোয়নি। তাই কেউ তার ওয়ালে শেয়ার করবে না। লাইক, কমেন্টের বন্যা বইবে না। কেউ মিনিটে মিনিটে লাইক, কমেন্ট গুনতে বসবে না। কেউ তার হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাসে দিয়ে জাহির করবে না। আসলে, যাঁরা আত্মপ্রচারের এই মহান কাজগুলো করেন, চোদ্দ জন্ম তপস্যা করলেও সেই ‘ফেবুজীবী’দের হাত থেকে এই মহাকাব্য বেরোবে না।
এবার একঘণ্টা, সুরও কিছুটা নরম, কিন্তু প্রহসন চলছেই
আসলে, বারবার তাঁকে ডেকে পাঠানো, তাঁর হাজিরা দেওয়া, বেরিয়ে এসে ভাষণ দেওয়া। এই দৃশ্যগুলো বড় একঘেয়ে হয়ে গেছে। যত না তাঁর ওপর রাগ হয়, তার থেকে বেশি রাগ হয় সিবিআই বা ইডি কর্তাদের ওপর। বারবার বেরিয়ে এসে তিনি এমন ভাষণ দেওয়ার স্পর্ধা পান কীভাবে? সত্যিই যদি ঠিকঠাক জেরা হত, ছাড়াও পেতেন না। আর ছাড়া পেলেও বেরিয়ে এসে গলা উঁচিয়ে কথা বলতে পারতেন না।
উন্মাদনার ইডেন, হাহাকারের ইডেন
আমি ইডেনে বসে নীল জার্সি গায়ে বিশ্বকাপে ভারতের ম্যাচ দেখছি, এই ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার তীব্র একটা নেশা। মাঠে যাঁরা হাজির হচ্ছেন, তাঁদের অধিকাংশই কম–বেশি নেই নেশায় আক্রান্ত। তাঁদের ফেসবুকে উঁকি মারলেই বোঝা যাবে। সিএবি–র এক কর্তা মজা করে বললেন, ‘মোবাইল নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ করে দিন। দেখুন, সত্তরভাগ লোক আর টিকিট চাইবে না।’
ক্যামেরা না থাকলেই বোঝা যাবে কে কতটা দেশপ্রেমী
আইসিসি একবার শুধু বলে দিক, মোবাইল বা ক্যামেরা নিয়ে ঢোকা যাবে না। দেখুন এই হুজুগ কোথায় উড়ে যাবে। ইডেন অর্ধেকও হয়ত ভরবে না। দেখুন তখন ‘ক্রিকেটপ্রেম’ বা ‘দেশপ্রেম’ কোথায় থাকে!
আসল সময়ে হারতে হবে না তো!
অস্ট্রেলিয়া পেশাদার দল। তারা হয়ত এই চাপ নিতে পারে। আসল সময়ে তারা ঠিক গর্জে ওঠে। কিন্তু ভারত সম্পর্কে এখনও সেই বিশ্বাসটা রাখা কঠিন। সারা টুর্নামেন্টে দারুণ খেলেও আসল সময়ে নিজেদের ঠিকঠাক মেলে ধরতে না পারার ‘সুনাম’ ভারতের রয়েছে।
সামিকে পরে খেলানো পরিকল্পনারই অঙ্গ
এবারের দলে কোনও বাঙালি ক্রিকেটার নেই। কিন্তু বাংলার অবদান থেকেই গেল। ভুললে চলবে না, এই সামি কিন্তু রনজিতে খেলেন বাংলার জার্সি গায়েই। তাঁর ক্রিকেটজীবনের উত্থানটা এই বাংলা থেকেই। সেদিক থেকে দেখতে গেলে বাঙালির গর্ব করার উপাদান থেকেই গেল।
বিজনবনের একাকী সেই সাধুবাবা
এই যে হাতি, চিতাবাঘের মাঝে শুয়ে থাকেন, ভয় লাগে না? সাধুবাবা বলতেন, ওদের ভয় পেতে যাব কেন? ওরাও তো আমাকে ভয় পায় না। ওরাও দেখে আমি একা একা এখানে পড়ে থাকি। আমাক মেরে ওদের লাভ কী? ওরাও জানে, কারা ওদের ভালবাসে।
