মহুয়া, তুমি শিল্প সম্মেলনের ছায়াও মাড়াবে না

মহুয়া, তোমাকে কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করে দিলাম। লোকে ভাবল প্রোমোশন। আসলে, বুঝিয়ে দিলাম, জাতীয় নেত্রী তো দূরের কথা, তুমি রাজ্য নেত্রীও নও। তোমাকে বড়জোর জেলার নেত্রী বলা যেতে পারে। কী জানি, আবার কার সঙ্গে আলাপ হবে!‌ আবার কোনও বিশেষ বন্ধু জুটিয়ে ফেলবে। অতএব, তুমি আর শিল্প সম্মেলনের ছায়া মাড়িও না।

কে কপিলদেব!‌

ফাইনালের আগে ঘটা করে জানানো হল, বিভিন্ন দেশের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। তাঁদের জন্য বিশেষ ব্লেজার তুলে দেওয়া হবে। ভিনদেশি অধিনায়ক তো দূরের কথা। নিজের দেশের দুই বিশ্বজয়ী অধিনায়কের কাছেই কিনা আমন্ত্রণ পৌঁছল না!‌

এবার থেকে মাঝপথে জুয়াড়ি লাগাতে হবে

সব ম্যাচ জিতে এলে এমনই হয়। আরে বাবা, দেশে তো নিয়ম কানুন আছে, নাকি!‌ মাঝে মা হয় একটা দুটো হারতে পারতিস। তাহলেও শেষ চারে যাওয়া আটকাত না। এদিকে, হারের কোটাও কমপ্লিট হয়ে থাকত। ফাইনালে নাছোড়বান্দা প্রত্যাশা তৈরি হত না। চাপ একটু হলেও কমত। এবার থেকে মাঝপথে জুয়াড়ি লাগাতেই হবে। যারা মাঝপথে দু একটা ম্যাচ হারানোর ব্যবস্থা করবে।

জয়ীর উল্লাস নয়, হারের দীর্ঘশ্বাসই আমাদের সঙ্গী

সব আশায় যেন জল ঢেলে দিল সবরমতী। টানা দশ ম্যাচ জিতলেও আসল সময়ের চাপ নিতে আমরা ব্যর্থ, সেটা আবার প্রমাণিত। যেদিন বিপর্যয় আসে, সেদিন টেনে তোলার কেউ থাকেন না। সেদিন কোনও ম্যাজিকই বোধ হয় কাজ করে না। সেদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না।

প্রয়াত বাসুদেব আচারিয়ার স্মরণে:‌ পায়ে পায়ে জঙ্গলে

সকাল সাড়ে নটা । রানিবাঁধ পার্টি অফিস থেকে বেরোলো দুটো গাড়ি। একটা বাসুদেব আচারিয়ার। আরেকটা আমাদের। পৌনে দশটা নাগাদ পোড়াডি মোড়। হঠাৎ দেখা গেল, জলপাই রঙের পোশাক পরা কিছু পুলিশ। পেছনে ধামসা মাদলের শব্দ। দূর থেকে একটা মিছিল এগিয়ে আসছে। আমরা তখন একটা চায়ের দোকানে। বাসুবাবু না হয় চিড়ে দই খেয়ে বেরিয়েছেন, আমাদের তো কিছুই জোটেনি। সারাদিন জুটবে, এমন গ্যারান্টিও নেই।

ই বুক। মূলস্রোতের বাইরে।

সবিনয় নিবেদন আত্মবিস্মৃত জাতি হিসেবে বাঙালির বিশেষ একটা সুনাম আছে। সে অতীত ভুলে যেতেই বোধ হয় ভালবাসে। অবশ্য সবসময় স্মৃতিকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। সে বেচারা কতটুকুই আর মনে রাখতে...

বৃদ্ধজনের ক্রুদ্ধসঙ্গীত

তোদের সময়ে তো ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোয়ালিফাই করতেই পারে না। তোদের সময়ে পাকিস্তান তো দুদুভাতু। আমাদের সময়টা ভেবে দেখ। বল করছে ইমরান, বল করছে লিলি, গার্নার। তাদের সামনে রবি শাস্ত্রী আর গাভাস্কার সারাদিন ঠুকুস ঠুকুস করছে। সেটাই তো আসল ক্রিকেট রে। রান তোলাটা বড় কথা নয়, স্টান্সটাই আসল, স্টাইল টাই আসল। তোদের সময়ে স্টাইল মানে তো বিরাট কোহলি গ্যালারিতে বউকে দেখে ফ্লাইং কিস ছুঁড়ে দিল। নিজের বউকে ফ্লাইং কিস দিবি তাতে স্টাইলেরর কী আছে রে?

এমন বিদায় কি প্রাপ্য ছিল কিউয়িদের!‌

বিশ্বক্রিকেটে সবথেকে বড় চোকার্স কারা?‌ জোর লড়াই বেঁধে যেতে পারে দুই দেশের মধ্যে। একটি অবশ্যই দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু নিউজিল্যান্ডকেই বা বাদ দেবেন কীভাবে?‌ তারাও হুঙ্কার দিয়ে বলে চলেছে, ‘‌হাম ভি...

রান জানতে চেয়ে লজ্জা দেবেন না

ওই জায়গা থেকে জয়ের স্বপ্ন দেখা সম্ভব ছিল না। অতিবড় আশাবাদী হয়েও সম্ভব ছিল না। কিন্তু উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে থাকা ম্যাক্সি ভেবেছিল। প্রথমে আমরা একশোর গন্ডি পেরোলাম। তারপর দেড়শো। তখন ভাবছি, যাক কিছুটা মানরক্ষা হয়তো হবে। টেনেটুনে দুশো পর্যন্ত নিশ্চয় পৌঁছে যাব। তাহলেও লজ্জা কিছুটা কমবে। বলা যাবে, আমরা অন্তত লড়াই করেছি। গো হারান হারিনি। ম্যাক্সি কিন্তু তখনও বলে চলেছে, ‘‌ক্যাপ্টেন, তোমাকে রান করতে হবে না। তুমি শুধু একটা দিক ধরে রাখো, বাকিটা আমি সামলে দিচ্ছি।’‌