রান জানতে চেয়ে লজ্জা দেবেন না

ওই জায়গা থেকে জয়ের স্বপ্ন দেখা সম্ভব ছিল না। অতিবড় আশাবাদী হয়েও সম্ভব ছিল না। কিন্তু উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে থাকা ম্যাক্সি ভেবেছিল। প্রথমে আমরা একশোর গন্ডি পেরোলাম। তারপর দেড়শো। তখন ভাবছি, যাক কিছুটা মানরক্ষা হয়তো হবে। টেনেটুনে দুশো পর্যন্ত নিশ্চয় পৌঁছে যাব। তাহলেও লজ্জা কিছুটা কমবে। বলা যাবে, আমরা অন্তত লড়াই করেছি। গো হারান হারিনি। ম্যাক্সি কিন্তু তখনও বলে চলেছে, ‘‌ক্যাপ্টেন, তোমাকে রান করতে হবে না। তুমি শুধু একটা দিক ধরে রাখো, বাকিটা আমি সামলে দিচ্ছি।’‌