ফুটো মস্তান হুমকি দিচ্ছে, এরপরও বলবেন প্রধানমন্ত্রী সাহসী?‌

রক্তিম মিত্র যথারীতি সেই এক চিত্রনাট্য। সকাল থেকে সাজো সাজো রব। এই তিনি বাড়ি থেকে বেরোলেন। এই তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে এলেন। রাস্তায় পুলিশে ছয়লাপ। করুণাময়ীর মোড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। এই তিনি...

কারখানায় লাল বাতি, আমাকে পুজো করে কী হবে!‌

শরীরে রক্ত না থাকলে যেমনটি হয়, মর্ত্যের আকাশও তেমন ফ্যাকাশে মেরে গিয়েছে। ফাঁকা আকাশেই দু–‌চারটি ঘুড়িএলোমেলোভাবে ঘুরে বেড়ায়। ব্যাস, এই পর্যন্তই। লাটাই, মাঞ্জা, শুরকি, ভোকাট্টা–‌এসব শব্দগুলো আস্তে আস্তে অভিধান থেকেও হারিয়ে যাবে। তবে ঘুড়ি আজও ওড়ে। কে কোথায় উড়ে বেড়ায়, কোথাও না কোথাও মাপা হয়। লাটাই আজও আছে। পুলিশের লাটাই নেতার হাতে, নেতার লাটাই ব্যবসায়ীর হাতে।

কিশোর আর কৈশোরকে ফিরিয়ে দিলে, লাল সেলাম কমরেড বিশ্বকর্মা

বিশ্বকর্মার শ্রেণিচরিত্র যেন অন্যরকম। মেকি বুদ্ধিজীবী হওয়ার হিড়িক নেই। এখানে যে যেমন, সে তেমনই। পুজো প্যান্ডেলের গানগুলোও অন্যরকম, মহাকালের গন্ডি টপকে আসা। কৈশোরে ফিরে যাওয়া, এবং কিশোরে ফিরে যাওয়া। অন্য আঙ্গিক থেকে অসাধারণ লেখা কুণাল দাশগুপ্তর।

এই কুণাল সত্যিই অচেনা ছিলেন

সজল মুখার্জি কুণাল ঘোষের ওপর আমার খুব রাগ হত। সত্যিই খুব রাগ হত। একটা মানুষ কয়েকবছর আগেও চিৎকার করে বলতেন, মমত ব্যানার্জিকে আমার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হোক, তাঁকে গ্রেপ্তার...