মেয়েদের এতবড় বন্ধু আর কেউ আছেন!

তিনি কী কী সাহিত্য রচনা করেছেন, বাংলা গদ্যকে কতখানি সাবলীল করেছেন, সেসব সাহিত্যের গবেষকরা বলবেন। সমাজ সংস্কারে কতটা দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেকথাও কারও অজানা নয়। কিন্তু সেসবের পাশাপাশি বলতেই হয়, এই দেশে মেয়েদের এত বড় বন্ধু আর আসেনি। লিখেছেন মধুজা মৈত্র।

সৌরভ যে শিল্পপতি, এতদিন ডোনাও বোধহয় জানতেন না‌

মোদ্দা কথা, সৌরভ সঙ্গে থাকলে, তাঁর নামটা জড়িয়ে থাকলে আপনার নানা রকম সুবিধা। সেই কৃতজ্ঞতার কারণে যদি দু’‌পার্সেন্ট বা পাঁচ পার্সেন্ট লভ্যাংশ দিতেই হয়, তাও আপনার লোকসান নেই। তাহলে দু’‌পার্সেন্ট বা পাঁচ পার্সেন্ট দিতে বাধা কোথায়?‌ আপনারও বাধা নেই। সৌরভেরও বাধা নেই। ব্যাস, স্পেনের মঞ্চ থেকে ঘোষণা হয়ে গেল। গোটা দেশ ব্যাপী পাবলিসিটি হয়ে গেল। আর কী চাই?‌

এখন মুখ্যমন্ত্রীর জুজু দেখাতে হচ্ছে

বিধানসভা যে নিজের গুরুত্ব হারিয়েছে, এর পেছনে শুধু বিধায়করা নয়, অনেক পদাধিকারীরাও দায়ী। মুখ্যমন্ত্রীর জুজু দেখিয়ে হাজিরা হয়ত বাড়ানো যাবে। মান বাড়ানো বড়ই কঠিন।

সেই পুলিশকর্মীরা এবার সন্ময়বাবুর বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসুন

রজত সেনগুপ্ত মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফর মানেই কতগুলো চেনা ছবি। একদল বলেন, দারুণ সাড়া পাওয়া গেছে। অনেকেই আসার ব্যাপারে, বিনিয়োগের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন। আরেকদল বলেন, সরকারি খরচে আরও একটা ফ্লপ সফর।...

ফুটো মস্তান হুমকি দিচ্ছে, এরপরও বলবেন প্রধানমন্ত্রী সাহসী?‌

রক্তিম মিত্র যথারীতি সেই এক চিত্রনাট্য। সকাল থেকে সাজো সাজো রব। এই তিনি বাড়ি থেকে বেরোলেন। এই তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে এলেন। রাস্তায় পুলিশে ছয়লাপ। করুণাময়ীর মোড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। এই তিনি...

কারখানায় লাল বাতি, আমাকে পুজো করে কী হবে!‌

শরীরে রক্ত না থাকলে যেমনটি হয়, মর্ত্যের আকাশও তেমন ফ্যাকাশে মেরে গিয়েছে। ফাঁকা আকাশেই দু–‌চারটি ঘুড়িএলোমেলোভাবে ঘুরে বেড়ায়। ব্যাস, এই পর্যন্তই। লাটাই, মাঞ্জা, শুরকি, ভোকাট্টা–‌এসব শব্দগুলো আস্তে আস্তে অভিধান থেকেও হারিয়ে যাবে। তবে ঘুড়ি আজও ওড়ে। কে কোথায় উড়ে বেড়ায়, কোথাও না কোথাও মাপা হয়। লাটাই আজও আছে। পুলিশের লাটাই নেতার হাতে, নেতার লাটাই ব্যবসায়ীর হাতে।

কিশোর আর কৈশোরকে ফিরিয়ে দিলে, লাল সেলাম কমরেড বিশ্বকর্মা

বিশ্বকর্মার শ্রেণিচরিত্র যেন অন্যরকম। মেকি বুদ্ধিজীবী হওয়ার হিড়িক নেই। এখানে যে যেমন, সে তেমনই। পুজো প্যান্ডেলের গানগুলোও অন্যরকম, মহাকালের গন্ডি টপকে আসা। কৈশোরে ফিরে যাওয়া, এবং কিশোরে ফিরে যাওয়া। অন্য আঙ্গিক থেকে অসাধারণ লেখা কুণাল দাশগুপ্তর।

এই কুণাল সত্যিই অচেনা ছিলেন

সজল মুখার্জি কুণাল ঘোষের ওপর আমার খুব রাগ হত। সত্যিই খুব রাগ হত। একটা মানুষ কয়েকবছর আগেও চিৎকার করে বলতেন, মমত ব্যানার্জিকে আমার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হোক, তাঁকে গ্রেপ্তার...

এবার স্পিকারকে ধন্যবাদ দিতেই হবে

একজন স্পিকারকে এই ভূমিকাতেই দেখতে চাই। একজন আইনজীবীকেও এই ভূমিকাতেই দেখতে চাই। অতীতে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু এই ঘটনার পর অন্তত একটা ধন্যবাদ ও অভিনন্দন তাঁর অবশ্যই প্রাপ্য। তিনি অন্তত নিজের চেয়ারের সম্মান রক্ষা করেছেন।

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ১৬ সেপ্টেম্বর সংখ্যা।

বাঙালির জীবন থেকে অনেককিছুই হারিয়ে গেছে। অর্থাৎ, অনেককিছুই ভোকাট্টা। শিল্প ভোকাট্টা, শিক্ষিতদের চাকরি ভোকাট্টা, তদন্ত ভোকাট্টা, ন্যায়বিচার ভোকাট্টা। তাই নিয়েই বেঙ্গল টাইমসের ই ম্যাগাজিন।