ইডি কর্তারা কি সত্যিই আন্তরিকভাবে তদন্ত করতে চান? বেশি কিছু করতে হবে না। সিএ ব্লকে একবার গৌতম দেবের বাড়ি থেকে ঘুরে আসুন। যদিও তিনি অসুস্থ। কথাবার্তা হয়ত কিছুটা জড়িয়ে যাবে। বুঝতে একটু সমস্যা হবে। তবু মস্তিষ্ক অনেকটাই সচল। কীভাবে তদন্ত করতে হয়, এখনও উনি দিব্যি শেখাতে পারবেন। যান, একটু ক্লাস করে আসুন।
সম্প্রতি বীজপুরে হয়ে গেল নাট্যোৎসব। অংশ নিয়েছিল আঠারোটি দল। যার মধ্যে কাঁচরাপাড়া নাট্য কল্লোল মঞ্চস্থ করে 'পলাতকা'। নাটকের প্রধান চরিত্র গ্রামের দোর্দন্ড প্রতাপ শম্ভু চৌধুরী ও তাঁর মেয়ে বিমলা এবং...
যত বড় ফুটবলার, ততই যেন আপনভোলা মানুষ। নিজের বাড়িও চিনতে পারতেন না। যখন কোনও অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে যেতেন, উদ্যোক্তারাই নিয়ে যেতেন। তাঁরাই দিয়েও যেতেন। তাঁর মানি ব্যাগে একটি কাগজে ঠিকানা লেখা থাকত। একটি কাগজের টুকরো আলাদা করে পকেটে ভরে দেওয়া হত। সেই চিরকুটে ঠিকানা ও বাড়ির ফোন নম্বর লেখা থাকত।
যাক, এতদিনে বোর্ডকর্তারা অন্তত বুঝলেন, দলের ভেতরের জিনিস এভাবে বাইরে আনতে নেই। তাই কিছুটা সমঝে দিলেন বিরাটকে। অনেক আগেই এই সতর্ক করা উচিত ছিল। ব্যক্তিগতভাবে কেউ নিজেকে প্রোমোট করতেই পারেন। কিন্তু প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়কের এই আচরণ যে শোভনীয় নয়, সেটা যে কোথাও একটা দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ, এই বার্তাটুকু সত্যিই দেওয়া দরকার ছিল।