‘৩৪ বছর’ এর সূচনা হয়েছিল এই দিনেই
২১ জুন। হ্যাঁ, সাতাত্তরের এমন দিনেই শুরু হয়েছিল পথ চলা। সেই ৩৪ বছরের পথচলা। সেই দিনটিকে ফিরে দেখা। লিখলেন শুভঙ্কর গুপ্ত।।
২১ জুন। হ্যাঁ, সাতাত্তরের এমন দিনেই শুরু হয়েছিল পথ চলা। সেই ৩৪ বছরের পথচলা। সেই দিনটিকে ফিরে দেখা। লিখলেন শুভঙ্কর গুপ্ত।।
আচ্ছা, কপিলদেবের সেই ১৭৫ রানের ইনিংসটা দেখেছেন? প্রশ্নটি একবার হাওয়ায় ভাসিয়ে দিন। তারপর দেখুন কীসব উত্তর আসে। কেউ বলবেন, ‘উফ, কী ব্যাটিংটাই না করেছিল। ওই ইনিংস কখনও ভোলা যায়! ১৭ রানে পাঁচ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। আমরা তো আশাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে কপিলদেব কী ব্যাটিংটাই না করল।’ কেউ হয়ত বলবেন, ‘আমাদের বাড়িতে তখনও টিভি আসেনি। পাশের বাড়ির অমুক কাকুর বাড়িতে দেখেছিলাম। এখনও চোখের সামনে ভাসছে।’
আজ থেকে তিরিশ–চল্লিশ বছর আগে ছিল ক্যাসেটের জমানা। তখন প্রায় প্রতিটি বাঙালি বাড়িতে ‘লিজেন্ডস অফ গ্লোরি’ নামে একটি ক্যাসেট থাকত। সম্ভবত বাংলা গানের ইতিহাসে এটিই জনপ্রিয়তম ক্যাসেট। সলিল চৌধুরির সুরে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়েক কণ্ঠে দশটি গানের সংকলন। এই ক্যাসেটটি বাঙালির জীবনে ‘রসুন’ সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছিল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
আমার গান রেকর্ড করা হয়ে গেছে। অনেকেই প্রশংসা করছেন। কিন্তু হেমন্তজেঠুর ক্যাসেটটা এর ফেরত দেওয়া হয়নি। ভেবেছিলাম, লোকের হাতে পাঠাব না। একদিন তাঁকে প্রণাম করে আমার রেকর্ডটি তাঁকে দিতে যাব। সেইদিনই ক্যাসেটটি ফেরত দেব। তারপর কী হল? জেনে নিন সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।
দীর্ঘদিন বম্বেতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। খুব কাছ থেকে দেখেছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মতো কিংবদন্তিকে। তাঁর সুরে বেশি কিছু গানও গেয়েছেন হেমন্ত। সুরকার অমিত দাশগুপ্তর স্মৃতিচারণে উঠে এল অনেক অজানা দিক। চিনতে পারবেন অন্য এক হেমন্তকে।
কখন প্রথম প্লে ব্যাক করেন? প্রথম কখন রেকর্ড বেরোয়? কতগুলো বাংলা ও হিন্দি ছবিতে সুর করেন? এমন নানা প্রশ্নের জবাব জানা অজানা হেমন্ত। সংকলনে সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।