ইস্টবেঙ্গলে এত চিঠিচাপাটি কেন?
এরপরেও বছরের পর বছর এই কর্তারাই থেকে যান। আসলে, এই কর্তারা ভাল করেই জানেন, এই সদস্য–সমর্থকদের অধিকাংশই ফেসবুক বিপ্লবী। তাঁরা ফেসবুকে দু–চারটি চিমটি কাটবেন। এর বেশি করার ক্ষমতা এই ফেসবুক বিপ্লবীদের নেই।
এরপরেও বছরের পর বছর এই কর্তারাই থেকে যান। আসলে, এই কর্তারা ভাল করেই জানেন, এই সদস্য–সমর্থকদের অধিকাংশই ফেসবুক বিপ্লবী। তাঁরা ফেসবুকে দু–চারটি চিমটি কাটবেন। এর বেশি করার ক্ষমতা এই ফেসবুক বিপ্লবীদের নেই।
শো ম্যানশিপ বা দেখনদারি একটা মারাত্মক রোগ। আপাতত এই রোগেই আক্রান্ত এই মহাতারকা। বোঝাই যাচ্ছে, টুইটার বা ইনস্টাগ্রামে যতই ফলোয়ার থাক, আসলে তিনি বড়ই নিঃসঙ্গ। সঠিক বুদ্ধি দেওয়ার লোকের বড়ই অভাব।
একবার যদি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আদবানির নাম ঘোষণা করে দিতেন, তাহলে সত্যিই চাপে পড়ে যেতেন মোদি অমিত শাহরা। তখন তাঁরা কী করবেন, সত্যিই ভেবে পেতেন না। বাধ্য হয়েই এই নামটা গিলতে হত। নৈতিক জয় হত মমতারই। কেন যে মমতা এই তাসটা ফেললেন না!
এখন বেড়ানোর আগেই একপ্রস্থ মানস ভ্রমণ হয়ে যায়। ফিরে এসে তো অনেকেই লেখেন। বেঙ্গল টাইমসে শুরু হচ্ছে নতুন বিভাগ— ঘোরার আগে। যাওয়ার আগেই একপ্রস্থ লিখে ফেলুন। কোথায় যাচ্ছেন, কেনই বা যাচ্ছেন, কীভাবে সন্ধান পেলেন, বুকিং করতে গিয়ে কোনও সমস্যা হল কিনা।
উনি বললেন, এটা হাজার টাকা কেজি, এটা দু হাজার টাকা কেজি। আমাকে এসব বুঝিয়ে কাজ নেই। আমিও নানা জায়গায় যাই। শুনেছি, দামী চা দেওয়া হয়। কিন্তু হাজার টাকার চায়ের সঙ্গে দু হাজার টাকার চায়ের কী তফাত, আমি বুঝি না। ওনার স্ত্রী নিশ্চয় বোঝেন। কিন্তু আমার তো মনে হয়, সব চা গুলোই একই, শুধু প্যাকেট গুলো আলাদা।
এরই মাঝে কত রাজনৈতিক জল্পনা। অনেকে বলেন, পা বাড়িয়ে অফস্টাম্পের বাইরের বলটাকে ছেড়ে দিলেন। আসলে, স্টেপ আউট করে জল্পনাটাকে গ্যালারিতেই পাঠিয়ে দিলেন। একই অঙ্গে কত ভিন্ন সত্ত্বার স্রোত। সব সত্ত্বাকে ছাপিয়ে আসলে তিনি এক মহাজীবনের শিক্ষক।
রনজি ট্রফিতে কীভাবে অভিষেক হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির? কার বদলে দলে এসেছিলেন? এক জমজমাট ছবির চিত্রনাট্য হতেই পারে। সৌরভের জন্মদিনে সেই রনজি ফাইনালের কথা তুলে আনলেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপন খেয়ালে লেখাটি ঘুরে বেড়ায়। সেই লেখাটি তুলে ধরা হল।
নাথান লিয়ন তো না হয় দশে এলেন। কিন্তু তিনি দশে আসায় কে দশের বৃত্তের বাইরে চলে গেলেন? সেই নামটা হল কপিলদেব। ব্রেকিং নিউজের ছটপটানিতে কে আর এত তলিয়ে ভাবতে যায়? তাই এতবড় একটা বিষয় চাপাই পড়ে গেল। কী জানি, কপিল নিজেও হয়ত এখনও জানেন না।