বেঙ্গল টাইমস।। বিধানচন্দ্র রায় বিশেষ সংখ্যা
ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে একটু আয়নার সামনে দাঁড়ান ক্রীড়া সাংবাদিকরা
ক্রীড়া সাংবাদিকতার সেকাল–একাল নিয়ে আলোচনা কম হয় না। কেউ দারুণ খবর বুঝতেন। কেউ ছিলেন পরিশ্রমী। কেউ দারুণ লিখতেন। কেউ হয়ত স্পেশ্যাল স্টোরির মাস্টার। কেউ ডেস্কের কপিতেও প্রাণ সঞ্চার করতেন। সেই প্রজন্মটাই কি হারিয়ে গেল? নতুনদের নিয়ে কতটা স্বপ্ন দেখা যায়? আলো ফেললেন অজয় নন্দী।
খাল কেটে নরেন ডেকে আনল ফ ব
বনস্পতির ছায়া দিলেন সারাজীবন
সস্তা নাটকের অভ্যেসটা এখনও যাচ্ছে না
ক্লাবের সভাপতি হিসেবে টুটু বসুই অটোমেটিক চয়েস।তারপরেও মাসের পর মাস বিষয়টাকে ঝুলিয়ে রাখা হল কেন? একবার তাঁর নামে প্রস্তাব উঠলেই সবাই মেনে নিতেন, তবু এতগুলো মিটিং করতে হল কেন? আসলে, জল্পনা জিইয়ে রেখে খবরে ভেসে থাকার অভ্যেসটা আর গেল না। তিনি যে মোহনবাগানের সচিব, সেটাই বোধ হয় ভুলে গেছেন।
কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!
একটি পেরেকের কাহিনী
বিধানবাবুর জীবনী হয়ত অনেকেই লিখেছেন। তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক অজানা তথ্য আছে। কিন্তু এমন সহজ সরলভাবে আর কেউ তুলে ধরতে পেরেছেন! মনে হয় না। বইটি সবার পড়া উচিত। দ্রুত পড়ে ফেলুন। একটি পেরেকের কাহিনী পড়ে লিখলেন উত্তম জানা।
