চলে গিয়েও থেকে গেছেন মহুয়া
২২ জুলাই। মহুয়া রায়চৌধুরির মৃত্যুদিন। দেখতে দেখতে ৩৬ বছর হয়ে গেল। এমনই একটি দিনে হারিয়ে গিয়েছিলেন টলিউডের এই অভিনেত্রী। তাঁর স্মৃতিতে বিশেষ এই লেখা। লিখেছেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
ডিম ভাতকে কটাক্ষ কেন? সমস্যা অনেক গভীরে
আজ যাঁরা নানা বাধ্যবাধকতায় ব্রিগেডে, তাঁদের অনেকেই এখনও মনে মনে লাল পতাকা নিয়েই হাঁটছেন। আবার একদিন লাল পতাকার নিশ্চিত আশ্রয়েই ফিরে আসবেন। সেই গরিব গুর্বো মানুষগুলোর ডিম–ভাত খাওয়াকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁদের আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন না তো? ডিম–ভাত নিয়ে হইচই করতে গিয়ে আসল সমালোচনার জায়গাগুলো আড়াল করে ফেলছেন না তো? লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
একটি ব্রেকিং নিউজ ও অসহায় এক মুখপাত্র
কিন্তু হায়! এঁরা কেউই বলার জায়গায় নেই। নেত্রীর মনোভাব না জানলে এঁরাই বা কী বলবেন? বেচারা শান্তনুবাবু পড়লেন মহা বিপদে। কী করা যায়? কী বলা যায়? সত্যিই যেন কপালে ঘাম দিচ্ছিল। কী বলে মানরক্ষা করবেন?
পলাতক হওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা
কোনও তাড়াহুড়ো নেই, কোলাহল নেই। টিপটিপ বৃষ্টিতে ছাতা মাথায় অলসভাবে লেবঙ কার্ট রোড, ভুটিয়া বস্তি, মহাকাল মন্দির ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। চাইনি তবু সে দেখা দিল। গুনগুন করে গান শোনালাম… আমি আপন করিয়া চাহিনি তোমারে, তুমি তো আপন হয়েছো। লাজুক হেসে মেঘের চাদরে ঘোমটা দিল।
১ লাখ ৩১ হাজারের সেই উত্তাল যুবভারতী
একদিকে ডায়মন্ডের হুঙ্কার। অন্যদিকে, বাইচুংয়ের হ্যাটট্রিক। অমল দত্ত আর পিকে ব্যানার্জির সেই বাগযুদ্ধ। সেদিন যুবভারতীর গ্যালারিতে ১ লাখ ৩১ হাজার দর্শক। যা ভারতীয় ফুটবলে নজির হয়েই থেকে গেছে। সেই ডার্বির ২৫ বছর। আলো ফেললেন রজত সেনগুপ্ত।
বেঙ্গল টাইমস। ১০ জুলাই বিশেষ সংখ্যা
মিডিয়া সমাচার
একজন অভিনেতা বা খেলোয়াড় বা সাহিত্যিক যদি পারফর্মার হয়ে থাকেন, তবে একজন সাংবাদিকও পারফর্মার। কোনও রাজনৈতিক দল বা কোনও ক্লাব নিয়ে যদি আলোচনা হয়, তাহলে কাগজ বা চ্যানেলও একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের নিয়েও আলোচনা হতে পারে। প্রাণ খুলে প্রশংসাও করতে পারেন। আবার ভাল না লাগলে সমালোচনাও করতে পারেন।
সানি যেন ক্রিকেটের তেনজিং
গাভাসকার হলেন সেই তেনজিংয়ের মতোই, এভারেস্ট বললেই যাঁর কথা মনে পড়ে যায়। গাভাসকারের জন্মদিনে কৈশোরের সেই সোনালি মুহূর্তগুলো তুলে আনলেন দিব্যেন্দু দে।।
