লাল হলুদ কর্তাদের দৌড় বোঝা গেল

ছোট ক্লাব বা নানা সংস্থা সরকারের দ্বারস্থ হয়, তার একটা মানে বোঝা যায়। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবকে এভাবে সরকারের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে হবে কেন?‌ এত বড় একটা ব্র‌্যান্ড। দেশে–‌বিদেশে এত সমর্থক। এত ঘটা করে সেলিব্রিটিদের সংবর্ধনা দেন। তাঁরা কোনও উদ্যোগ নিতে পারছেন না? ক্লাবকর্তারা আগেই হাত তুলে দিলেন! তাঁদের দৌড়টা এবার অন্তত বোঝা গেল। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

দিল বেচারা:‌ এত মিল!‌ শুধুই কাকতালীয়!‌ নাকি ষড়যন্ত্র!‌

এতখানি মিল শুধুই কি কাকতালীয় বা কো-ইন্সিডেন্স!‌ নাকি কোনও গভীর ষড়যন্ত্র! উত্তর জানা নেই, আর পাওয়া যাবে কিনা, তাও জানা নেই। কিন্তু এরপর আর গলার কাছে দেবে থাকা বুকচাপা কান্না নয়, বুক ঠেলে উঠে আসছে কান্না, গলা ছেড়ে বেরিয়ে আসে আর্তনাদ। যেন এই কান্নাটাই এখন প্রয়োজন। সদ্য মুক্তি পাওয়া দিল বেচারার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করলেন ইন্দ্রাণী রাহা।

পুলিশকে এই ভূমিকাতেই দেখতে চাই

পাড়ায় পাড়ায় লকডাউন সফল করতে তো আর পুলিশ কমিশনার বা আই এ এস, আই পি এস–‌রা আসেননি। নিচুতলার পুলিশ কর্মী আর সিভিক ভলান্টিয়াররাই করে দেখালেন। নানা কারণে পুলিশের সমালোচনা হয়। কিন্তু এই সফল লকডাউনের পর একটা স্যালুট তাঁদের প্রাপ্য। বারবার মনে হচ্ছে, এমনটা যদি শুরুর দিকে দেখা যেত!‌ হ্যাঁ, পুলিশকে এই ভূমিকাতেই দেখতে চাই। কোথাও কোথাও বাড়াবাড়ি হলে হোক।

‌শুধুই উত্তম? বাকিরা? তাঁদের ভুলে যাবেন?‌

উত্তম কুমারকে বড় করতে গিয়ে আমরা অহেতুক বাকিদের ছোট করে ফেলি। ভুলে যাই সেই সময়টাকে। প্রত্যেকেই যেন একেকজন দিকপাল। কাকে ছেড়ে কার কথা বলবেন? অথচ, সেই মানুষগুলো উত্তমের আড়ালেই থেকে যান। সেই পরিমণ্ডলে কারা ছিলেন? তুলে আনলেন সরল বিশ্বাস।

‌কেন যে মহালয়া করতে গেলেন!

একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? বাংলার সাধারণ মানুষ বিষয়টিকে কীবাবে দেখেছিলেন?‌ কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে।

কেন সফল হতে পারলেন না বলিউডে?

‌কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা...

‌এখন থাকলে বুঝতাম, কেমন মহানায়ক

নন্দ ঘোষের হাত থেকে কারও রেহাই নেই। প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতি, তিনি সবার খুঁত ধরেন। এমনকী রবি ঠাকুর বা নেতাজিরও রেহাই নেই। তাহলে মহানায়কই বা বাকি থাকেন কেন? এত প্রশস্তির মাঝে না হয় একটু ভিন্ন সুর থাকল। পড়ুন নন্দ ঘোষের কড়চা।

‌তার ছিঁড়ে গেছে কবে!

উত্তম–‌সুচিত্রা। পরপর উচ্চারিত হয় নাম দুটো। প্রায় প্রবাদ হয়ে গেছে। কিন্তু একটু তলিয়ে পোস্টারগুলো দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন। অধিকাংশ ছবির পোস্টারেই কিন্তু উত্তম–‌সুচিত্রা নয়, লেখা আছে সুচিত্রা–‌উত্তম। অর্থাৎ, সুচিত্রার নাম আগে। এটাই নাকি সুচিত্রার শর্ত ছিল। নীরবে মেনেই নিয়েছিলেন মহানায়ক। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

ট্রেনের কামরায় জমজমাট আড্ডায় পিকে-উত্তম

উত্তম কুমারকে নিয়ে তাঁর অনেক স্মৃতি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, আড্ডায় মাঝে মাঝেই বলতে শোনা যেত। সেই পি কে ব্যানার্জি আর নেই। কত অজানা গল্প হারিয়ে গেল। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে, আড্ডায় ট্রেনের এক সকালের স্মৃতি মেলে ধরেছিলেন পি কে ব্যানার্জি।

‌কত গানকে নতুন জীবন দিয়েছেন!

যে গান বাবার কণ্ঠে মানুষের কাছে পৌঁছল না, সেই গান কিশোরের কণ্ঠে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। কিশোর কুমারের অবদানকে এতটুকুও ছোট করছি না। কিন্তু এক্ষেত্রেও একটা বড় কারণ উত্তম কুমার। তিনি লিপ না দিলে হয়ত গানটা এতখানি হিট নাও হতে পারত। স্মৃতিচারণ সৈকত মিত্রর।