কাদের নির্দেশে এসব কাজ করছে পুলিশ? এসব কাজ বিজেপির জমিকেই আরও শক্ত করে। এসব কাজ সাম্প্রদায়িক প্রচারকে আরও মজবুত করে। বিরোধীরা সুযোগ নেবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যাঁরা বারবার এই সুযোগ হাতে তুলে দিচ্ছেন, তাঁদের অপরাধও কোনও অংশে কম নয়। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
ছোট ক্লাব বা নানা সংস্থা সরকারের দ্বারস্থ হয়, তার একটা মানে বোঝা যায়। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের মতো ক্লাবকে এভাবে সরকারের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে হবে কেন? এত বড় একটা ব্র্যান্ড। দেশে–বিদেশে এত সমর্থক। এত ঘটা করে সেলিব্রিটিদের সংবর্ধনা দেন। তাঁরা কোনও উদ্যোগ নিতে পারছেন না? ক্লাবকর্তারা আগেই হাত তুলে দিলেন! তাঁদের দৌড়টা এবার অন্তত বোঝা গেল। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
এতখানি মিল শুধুই কি কাকতালীয় বা কো-ইন্সিডেন্স! নাকি কোনও গভীর ষড়যন্ত্র! উত্তর জানা নেই, আর পাওয়া যাবে কিনা, তাও জানা নেই। কিন্তু এরপর আর গলার কাছে দেবে থাকা বুকচাপা কান্না নয়, বুক ঠেলে উঠে আসছে কান্না, গলা ছেড়ে বেরিয়ে আসে আর্তনাদ। যেন এই কান্নাটাই এখন প্রয়োজন। সদ্য মুক্তি পাওয়া দিল বেচারার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করলেন ইন্দ্রাণী রাহা।