বারবার সুযোগ এসেছে। কখনও নিজের সিদ্ধান্তে, কখনও অন্যের বুদ্ধিতে, বারবার সেই সুযোগ ফিরিয়ে দিয়েছেন। পরে বোঝা গেছে, সেই সিদ্ধান্তগুলো নিতান্তই ভুল ছিল। নিজেও বারবার আক্ষেপ করেছেন। সেদিন ঠিকঠাক সিদ্ধান্ত নিতে পারলে উত্তম হয়ত ‘সর্বোত্তম’ হয়ে উঠতেই পারতেন। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।
উত্তম কুমারের মৃত্যুদিন বহুচর্চিত। কিন্তু জন্মদিন কেন সাদা কালো? উত্তমের নায়িকা বলতে সুচিত্রা বা সুপ্রিয়ার নাম ভেসে ওঠে। সাবিত্রীর মুখ কেন ভেসে ওঠে না? হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যদি পূব আকাশের উত্তমের গায়ক হন, যদি মাঝ আকাশে শ্যামল মিত্র–মান্না দে থাকেন, তাহলে শেষযাত্রার উত্তম কেন কিশোর কুমারে ভরপুর হবে না? তিন প্রশ্ন উস্কে দিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।
উত্তম কুমারের নাম শুনলেই বাঙালি এমন একটা ভান করে, যেন কতই না জানে। অথচ, এর মধ্যে একটা অদ্ভুত ফাঁকিবাজি রয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের কথা ছেড়ে দিন। যারা মাঝবয়সী, তাদের জিজ্ঞেস করুন তো, উত্তমের কোনও ছবি হলে গিয়ে দেখেছেন কিনা। আমি নিশ্চিত, দশজনের মধ্যে অন্তত নজন দেখেননি। লিখেছেন রাজেশ মুখার্জি।।
অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল উত্তম কুমারের শুটিং দেখার। অবশেষে সুযোগ এসে গেল। তখন শুটিং চলছে অগ্নীশ্বর ছবির। সেই শুটিং শেষ করেই বাঘবন্দী খেলা। একইদিনে এমন বিপরীতধর্মী দুটো চরিত্র! শুটিং দেখার সেই অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন বিশ্বরঞ্জন দত্ত গুপ্ত।
হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।
উত্তম আর হেমন্ত যেন এক যুগলবন্দি। কিন্তু এমন অনেক গান আছে, যে ছবিতে উত্তম আছেন, কিন্তু হেমন্তর গান অন্য কারও লিপে। কোথাও উত্তম শ্রোতা। আবার কোথাও গান বাজছে নেপথ্যে। এমনই এক অন্যরকম যুগলবন্দির কাহিনি তুলে ধরলেন পৃথা কুণ্ডু।
উত্তম কুমারকে নিয়ে আমরা নস্টালজিয়ায় ভুগলেও তাঁর লিগ্যাসি বাঁচিয়ে রাখার মতো কাজ কটা করতে পেরেছি? তাঁর অভিনীত প্রত্যেকটি ছবিকেই আমরা বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি কি? তাঁর নামে একটি মিউজিয়াম বা গবেষণা কেন্দ্রের নাম আজ দিগ্বিদিকে ছড়িয়ে পড়তেই পারত। লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।
অমিত ভট্টাচার্য চেনা উত্তমকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন একেবারে অচেনা আঙ্গিকে। উত্তম নিজেও বোধ হয় সেটাই চেয়েছিলেন। তাই তাঁর তৈরি চারটি ছবিই একেবারে ভিন্নস্বাদের। বছর পাঁচেক আগেও এমন সময়েও বেঁচেছিলেন পরিচালক...
উত্তম–সুচিত্রার জুটি তো সকলের কাছেই পরিচিত। কিন্তু জুটি বাঁধার কথা ছিল উত্তম–মুনমুনের। কী সেই ছবি? কে পরিচালক? কেন হল না? উত্তমের প্রয়াণ দিবসে সেই অজানা কাহিনিতে আলো ফেললেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
যে কোনও ডাক্তারের উচিত, ডাক্তারি পেশায় আসার আগে অগ্নীশ্বর দেখা। মেডিকেল কলেজগুলির উচিত, ছাত্রদের আগে অগ্নীশ্বর দেখানো। মহানায়কের নামে মেট্রো স্টেশন করার থেকে সেটা বেশি জরুরি। এই নিয়ে ভিন্ন স্বাদের একটি লেখা। লিখেছেন সজল মুখার্জি।