বাস মালিকরাও তেমনি। যখন সরকারি বৈঠক, তখন নিজেদের দাবির কথা জোরের সঙ্গে বলতে পারছেন না। তখন সব ঘাড় নেড়ে শুনে নিচ্ছেন। পরে বলছেন, এই ভাড়ায় চালানো যাবে না। সেটা সরকারি বৈঠকে জোরের সঙ্গে বলতে পারেন না কেন? ফলে, প্রতিটি মিটিং থেকে কার্যত অশ্বডিম্ব প্রসব হয়।
লকডাউন নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল আগেই। এবার জুনের প্রথম সপ্তাহে এসে গেল আরও একটি ই–ম্যাগাজিন। এবার নির্দিষ্ট কোনও বিষয়কে সামনে রেখে নয়। এবারের ই ম্যাগাজিন কিছুটা পাঁচমিশেলি। লকডাউনের অবসরে...
তাঁদের যদি গ্রামে আলাদা রাখা যেত, তাহলে এই পরিস্থিতি তৈরি হত না। সেটা করা যায়নি। রাখলে টেস্ট করতে হবে। তাদের খাওয়া–দাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার যথারীতি দায় এড়িয়ে গেছে। এত এত মানুষকে কাজের সন্ধানে রাজ্যের বাইরে যেতে হয়েছিল! এই সত্যিটা যদি বেরিয়ে আসে! তাহলে, ‘এগিয়ে বাংলা’র ফানুসটা চুপসে যাবে।
কী টিভি, কী কাগজ, সর্বত্রই এক অদ্ভুত উদাসীনতা। বেঙ্গল টাইমস তার সীমিত সামর্থ্য নিয়ে এগিয়ে এসেছে। হেমন্তর জন্মদিনের আগেই প্রকাশিত হবে বিশেষ হেমন্ত সংখ্যা।
পঞ্চায়েতের কাজ কী, যাঁরা পঞ্চায়েত চালাচ্ছেন, তাঁদের কজন জানেন! গাজোয়ারি করে পঞ্চায়েত দখল করলে এরকম প্রধানই জুটবে। দলের শহুরে নেতা মন্ত্রীরাও বোঝেন না পঞ্চায়েত জিনিসটা আসলে কী। তাই মহুয়া, এখন ফেসবুকে আক্ষেপ ছাড়া আর কীই বা করতে পারেন! লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
আমাদের সাহিত্যপ্রেমে যে ধুলো জমেছিল, সেই ধুলো অনেকটাই ঝেড়ে দিল। পাশাপাশি, অডিও বুকের ব্যাপারে যে নাক সিঁটকানো ব্যাপার ছিল, সেটাও অনেকটা কেটে গেছে। যাঁরা সাহিত্যপ্রেমী, অথচ অডিও বুক থেকে এখনও দূরে আছেন, তাঁরা চেষ্টা করে দেখতে পারেন। সাহিত্যের এই নতুন ধারাকে মুক্তকণ্ঠে স্বাগত জানান। লিখেছেন নিখিল সেন।
এত লোক জড়ো করার কী দরকার? এতদিন ধরে এত ধকল, এত খরচ। তার থেকে যেদিন সভা, সেদিন টিভির স্লট কিনে নাও। লাইভ দেখানো হবে। ফেসবুক লাইভ চলবে। ঘরে বসেই লোকে বক্তৃতা শুনে নেবে। জনহীন জনসভা, ব্যাপারটা কিন্তু মন্দ হবে না। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।
ছেলেবেলার অনেকটা জুড়ে ছিল ব্যোমকেশ। অথচ, ব্যোমকেশের একটা গল্পও পুুরো পড়া হয়নি। শরদিন্দু নয়, বাসু চ্যাটার্জির হাত ধরেই ব্যোমকেশের সঙ্গে পরিচয়। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।
একেকটা ছবি ছোটবেলা থেকেই মনে দাগ কেটে যায়। তেমনই একটা ছবি— ছোটি সি বাত। কে পরিচালক, তা বোঝার মতো বিদ্যেবুদ্ধি তখন ছিল না। ছিল শুধুই এক ভাল লাগা। বাসু চ্যাটার্জির প্রয়াণে শ্রদ্ধার্ঘ্য সন্দীপ লায়েকের।
সে সময় ভিডিও গেমও ছিল না। ফেসবুকও ছিল না। ছেলেবেলার সেরা বিনোদন ছিল ওই সাইকেল। সেই সাইকেলকে ঘিরেই কত অ্যাডভেঞ্চার। কত লুকিয়ে থাকা স্মৃতি। বিশ্ব সাইকেল দিবসে নস্টালজিক লেখা সজল পাত্রর।