এমন শিক্ষামন্ত্রী হলে এরকম উপাচার্যই আমাদের ভবিতব্য

শিক্ষামন্ত্রী দলের ধর্নায় গেছেন। তাঁকে খুশি করতে উপাচার্যরাও ছুটলেন। দন্ত বিগলিত করে বসে গেলেন তাঁর দুপাশে। কোথায় যেতে হয়, কোথায় যেতে নেই, এই ন্যূনতম বোধটুকুও নেই, তাঁরা কিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। হবু রাজা গবু মন্ত্রীদের ঠিক খুঁজে নেন। এরকম শিক্ষামন্ত্রী হলে এরকম উপাচার্যই আমাদের ভবিতব্য। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

মোহনবাগান নিয়ে গেল গেল রব তোলার কী আছে!‌

মোহনবাগান নামের আগে অন্য নাম কি আগে ছিল না?‌ মদ কোম্পানির নাম থাকতে পারে, এটিকে থাকলেই যত দোষ!‌ সঞ্জীব গোয়েঙ্কা জানেন, মোহনবাগান নামের ওজন কতটা। তাই অকারণ জার্সি বা লোগো বদলানোর রাস্তায় তিনি হাঁটবেন না। এই পরিবর্তনকে খোলা মনে মেনে নিতে আপত্তী কীসের?‌ লিখেছেন সবুজ সরখেল।

ভিসা পাসপোর্ট ছাড়াই বিদেশ ভ্রমণ!‌

উঠল বাই, ভুটান যাই। কিছুটা এভাবেই ডুয়ার্স থেকে ভুটানে হানা। কয়েক ঘণ্টার ঝটিকা সফর। অল্প খরচেই বিদেশ ভ্রমণের রোমাঞ্চ। সেই অনুভূতি মেলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরি।

ফের মোহনবাগানের সভাপতি টুটু বসু

ক্লাবে স্পন্সর ছিল না। অবশেষে ক্লাবের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে আরপিজি গোষ্ঠী। এই চুক্তির পেছনে বড় অবদান টুটু বসুর। এবার তাঁকে ফের সভাপতি হিসেবে ফিরিয়ে আনা হল।

নিঃশব্দে দেউলিয়া করবে লটারি, আসুন জমিয়ে শীতঘুম দেওয়া যাক

সরকার নামক বস্তুটি আপাতত চোখ বন্ধ করেই থাকবে। লটারি কোম্পানিগুলো জানে, কীভাবে ফাঁদ পাততে হয়। এখন এখানে–‌সেখানে দু চারজন কোটিপতি হবেন। কাগজে ঢালাও বিজ্ঞাপন চলছে। ফলে, এইসব খবরও কাগজে, চ্যানেলে গুরুত্ব পাবে। আর কোথায় কোথায় কী কী প্রণামী দিতে হয়, সেটাও বিলক্ষণ জানা আছে। নিঃশব্দে পকেট খালি হচ্ছে মধ্যবিত্ত আর প্রান্তিক মানুষের। আস্তে আস্তে তা মহামারির চেহারা নেবে।
আসুন, জমিয়ে একটা শীতঘুম দেওয়া যাক। লিখেছেন অজয কুমার।

রাজ্যসভায় যেতে পারেন প্রশান্ত কিশোর

রাজ্যসভায় বড় চমক দিতে পারে তৃণমূল। এই রাজ্য থেকে হয়ত রাজ্যসভায় যেতে পারেন প্রশান্ত কিশোর। যদিও আপাতত বিষয়টি নিছক জল্পনার স্তরে আছে। তৃণমূলে আলোচনা করে সিদ্ধান্তের রেওয়াজ নেই। নেত্রীর ইচ্ছেই এখানে দলের সিদ্ধান্ত। দলের একটি অংশ মনে করছে, এবার মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে প্রশান্ত কিশোরকে।

ইন্টারভিউ নিতে ডাকলেন সুচিত্রা সেন!‌

ফোন করে ডাকলেন। ইন্টারভিউ দিলেন। কিন্তু কিছুতেই ছবি তুলতে দিলেন না। কেমন ছিল সেই ইন্টারভিউ?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

দ্বিধা ছেড়ে এখনই চূড়ান্ত হোক ইয়েচুরির নাম

এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত?‌ আর কোনও দ্বিধা নয়। সব জড়তা ভেঙে, সব ছুৎমার্গ বিষর্জন দিয়ে এখনই চূড়ান্ত করা হোক সীতারাম ইয়েচুরির নাম। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।

মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকতে চান ?

মৃত্যুর পরেও আপনি বেঁচে থাকতে পারেন। না, এ কোনও ‘নির্বিকল্প সমাধি’ নয়।কোনও অমরত্বের আশীর্বাদ বা পুণ্য অর্জনও নয় । আপনি বেঁচে থাকতে পারেন অন্য কোনও শরীরে। না, কোনও ভূতের গল্পও নয় । আসলে ,আপনার মৃত্যুর পরেও আপনার দুটি চোখ এই পৃথিবীর আলো দেখতে পারে। আপনার দুটি কিডনি দুই মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে পারে ।

মেঘ, পাহাড়, নদী, অরণ্য–‌কী নেই উত্তরবঙ্গে?‌

আমরা অনেকেই ফেসবুক, হোয়াটস আপ ব্যবহার করি। বাইরে বাইরে বন্ধুরা ছড়িয়ে আছেন। আমরা যদি নিজেদের প্রোফাইলে রোজ উত্তরবঙ্গের একটা করে সুন্দর ছবি পোস্ট করি, তাহলে তা অন্যান্য বন্ধুদেরও নজরে পড়বে। রোজ উত্তরবঙ্গের অজানা সব জায়গা দেখে তারাও আকৃষ্ট হতে পারেন। যিনি হয়ত দক্ষিণ ভারত যাবেন বলে ভাবছেন, তিনি উত্তরবঙ্গেও আসতে পারেন। এতে এইসব জায়গাগুলো আরও জনপ্রিয় হবে। কারণ, যাঁরা ঘুরে যাবেন, তাঁরা তাঁদের বন্ধুদের বলবেন। তাঁরাও সোশাল মিডিয়ায় প্রচার করবেন।