পুরনো ছবি, নতুন আঙ্গিকে

অনেকের সামনেই এখন অখণ্ড অবসর। এই অবসরে অনেকেই মগ্ন সিনেমা দেখায়। হইচই, নেটফ্লিক্স বা ইউটিউবে অনেকেই নানা ছবি দেখছেন। হয়ত আগে দেখার ইচ্ছে থাকলেও দেখা হয়নি। হয়ত দেখেছেন, আবার দেখলেন। সবমিলিয়ে পুরনো ছবিকে নতুন আঙ্গিকে দেখার চেষ্টা। শুরু হয়ে যাক জমজমাট আলোচনা।

নতুন বিভাগ:‌ বইমেলার ডায়েরি

শুরু হল বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— বইমেলার ডায়েরি। চলবে পুরো ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই। বইমেলার নানা ঘটনা, বিতর্ক যেমন থাকবে। তেমনই থাকবে কিছু স্মরণীয় বইয়ের আলোচনা।

নামেই অরন্ধন, আসলে মহারন্ধন

সরস্বতী মানে কি শুধুই মেয়েদের শাড়ি পরা আর ছেলেদের মেয়ে দেখা?‌ তার বাইরেও আরও অনেককিছু। পরের দিন অরন্ধন। যৌথ পরিবারে সে যেন এক মহারন্ধনের কর্মযজ্ঞ। ফেলে আসা সময়ে উকি দিয়ে টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো ফিরে দেখা। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

স্মৃতির সরণি:‌ আমাদের সেই সরস্বতী পুজো

নিছক একটি পুজো নয়। বাঙালির আবেগের সঙ্গে, তার বেড়ে ওঠার সঙ্গে নানাভাবে জড়িয়ে আছে সরস্বতী। স্মৃতির সরণি বেয়ে তেমনই দুষ্টুমিমাখানো কোলাজ। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে। কাকু, সরস্বতী পুজোর চাঁদা টা,...

সেলফিতে লাইক মারা বন্ধ করুন

বোকা বোকা সেলফি দেখলে লাইক মারা বন্ধ করুন। ওই লাইকগুলোই তাদের আরও বোকা বানিয়ে দিচ্ছে। যদি আপনি লাইক মেরে থাকেন, তাহলে জানবেন, সেই বোকামির ভাগীদার আপনিও। লিখেছেন তৃষাণ সেনগুপ্ত।।

দু–‌চার কথা নেতাজিকেও শোনানো যায়

স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না?‌ তাঁকেও দু–‌চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।

নেতাজি মূর্তি ও সন্দীপনের সেই ঐতিহাসিক উক্তি

শ্যামবাজারের মূর্তিটা আসলে কার?‌ এই সম্পর্কে স্মরণীয় একটি মন্তব্য ছিল সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের। নেতাজির জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে এল সেই অজানা মন্তব্য।

কাঁধে হাত রাখলেন হিটলার

‌নেতাজি ও হিটলারের সাক্ষাৎ সম্পর্কে একটি কাহিনী প্রচলিত আছে। কতটা সত্যি, কতটা কল্পনা জানা নেই। তবু এটা জানা দরকার। প্রচলিত সেই কাহিনি তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।

এবার বইমেলা সংখ্যা

বইমেলাকে ঘিরে থাকবে আকর্ষণীয় ফিচার। নতুন বইয়ের কথা যেমন থাকবে। তেমনি থাকবে বইমেলার নানা অজানা দিক। সঙ্গে অবশ্যই স্মৃতিচারণ। বইমেলাকে ঘিরে নানা মজার গল্প।

শুভেন্দু আসলে কাকে বার্তা দিলেন!‌

শুভেন্দুর মনে হয়েছিল, নেতাজির ছবির পাশে তাঁর ছবি বেমানান। হয়ত অসভ্যতাও। তাই তিনি খুলে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কারও কারও মনে হয়, তিনি নেতাজির থেকে কম কীসের?‌ তিনি হয়ত নেতাজির থেকেও জনপ্রিয়। তাই তাঁর ছবি নেতাজির থেকেও বড় হয়ে যায়।শুভেন্দু শুধু উদ্যোক্তাদের বার্তা দেননি। সেই বার্তা হয়ত আরও কাউকে কাউকে দিতে চাইলেন।