পটকার বুড়িমা, লড়াই যেন রূপকথার মতোই
আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।
আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।
বাঙালি নবান্ন, পিঠে পরব ভুলতে বসেছে। আঁকড়ে ধরছে ধনতেরাসকে। হুজুগপ্রিয়তার এমন উর্বর জমি, কে না চাষ করতে চাইবে? তাই গয়নার কোম্পানিগুলোও বাজার ধরতে লাফিয়ে পড়েছে। ধনতেরাস ধামাকার নামে আদেখলাপনাই বুঝিয়ে দেয় ‘এগিয়ে বাংলা’র ছবিটা আসলে কেমন।
পুরুলিয়ার জয়চণ্ডী পাহাড়ই হল হীরক রাজার দেশ। মানে সেখানেই সিনেমাটার আউটডোর শুটিং হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে এসে দুটি মোক্ষম শিক্ষার কথা লিখলেন ময়ূখ নস্কর।
তারকা সাংবাদিক হয়ত ছিলেন না। দারুণ লিখতেন, এমনও নয়। কিন্তু শুভা দত্ত জানতেন, তাঁর পাঠক কারা, তাঁরা কী চান। জোর করে আঁতেল বা বুদ্ধিজীবী সাজার চেষ্টা করেননি। অনেক তারকা আছেন, যাঁরা নিজের পাঠককেই চেনেন না। লিখেছেন সুব্রত সান্যাল।
বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই ম্যাগাজিন। রাজনীতি, সাহিত্য, খেলা, সিনেনা, ভ্রমণ, স্পেশাল ফিচার। সব মিলিয়ে এই ই ম্যাগাজিন। ডাউনলোড করে সহজেই পড়ে ফেলতে পারেন।
নন্দ ঘোষ। সবকিছুকেই তিনি দেখেন বাঁকা চোখে। বেঙ্গল টাইমসের পাঠকেরা নন্দ ঘোষের কড়চার সঙ্গে বেশ পরিচিত। এবার তাঁর ইচ্ছে হয়েছে ফিল্ম নিয়ে কিছু লিখবেন। পুজো পেরোতেই তিনি গুমনামি দেখে ফেললেন। রিভিউ লিখলেন বেঙ্গল টাইমসে।
এখনও সময় আছে। আইন যথার্থই আইনের পথে চলুক। কারা সন্ময়বাবুকে হেনস্থা করলেন, তাঁদের চিহ্নিত করা হোক। কার নির্দেশে এইসব বানানো এফআইআর, খুঁজে বের করা হোক। এবং যদি সৎসাহস থাকে, সেই পালের গোদাকে গ্রেপ্তার করা হোক। নইলে, বুঝতে হবে, মুখ্যমন্ত্রী সত্যিই বড় অসহায়। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
যিনি একসঙ্গে দেবাশিস দত্ত ও গৌতম ভট্টাচার্যকে সামলেছেন, যিনি শরদ পাওয়ার ও ডালমিয়াকে একসঙ্গে সামলেছেন, যিনি কুম্বলে ও হরভজনকে সামলেছেন, শচীন ও রাহুলকে সামলেছেন, তিনি মমতা আর অমিত শাহকেও দিব্যি সামলাতে পারবেন।
কত তারিখ নিঃশব্দে পেরিয়ে যায়। আমরা জানতেও পারি না। হঠাৎই চোখ আঁটকে গেল সোশাল সাইটের একটি পোস্টে। দিনটা শৈল চক্রবর্তীর মৃত্যুদিন। এই প্রজন্মের কাছে নামটা হয়ত তেমন পরিচিত নয়। এমনকী যাঁরা মাঝবয়সী, তাঁদের কাছেও অচেনা ঠেকতে পারে। কিন্তু যাঁরা সাহিত্য, সংস্কৃতির খোঁজখবর রাখেন, তাঁদের কাছে একজন প্রণম্য মানুষ এই শৈল চক্রবর্তী।
২০২১ তো অনেক দেরি। সৌরভ বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন কিনা বা প্রার্থী হবেন কিনা, সেই সম্ভাবনাও আপাতত অনেক দূরে। ধরেই নিলাম, অমিত শাহ তাঁকে কোনও ‘কুপ্রস্তাব’ প্রস্তাব দেননি। ধরেই নিলাম, বোর্ড সভাপতি হতে গিয়ে সৌরভকে কোনও মুচলেকাই দিতে হয়নি। কিন্তু মমতাকে সেকথা বিশ্বাস করাতে পারবেন? সুতরাং, নিজের রাজ্যে তাঁর ব্রাত্য হওয়ার পর্ব শুরু। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।