সৌরভকেও মুচলেকা দিতে হয়!‌

২০২১ তো অনেক দেরি। সৌরভ বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন কিনা বা প্রার্থী হবেন কিনা, সেই সম্ভাবনাও আপাতত অনেক দূরে। ধরেই নিলাম, অমিত শাহ তাঁকে কোনও ‘‌কুপ্রস্তাব’‌ প্রস্তাব দেননি। ধরেই নিলাম, বোর্ড সভাপতি হতে গিয়ে সৌরভকে কোনও মুচলেকাই দিতে হয়নি। কিন্তু মমতাকে সেকথা বিশ্বাস করাতে পারবেন?‌ সুতরাং, নিজের রাজ্যে তাঁর ব্রাত্য হওয়ার পর্ব শুরু। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

‌এ কেমন কার্নিভাল‌!‌

কার প্রদর্শনী, সেটাই বোঝা গেল না। গোটা কাণ্ডজুড়ে একজনকেই তুষ্ট করার চেষ্টা। একজনই মধ্যমণি হয়ে বসে রইলেন। সমস্ত ঠাকুর এসে যেন তাঁর সামনেই নতজানু হল। বিভিন্ন প্যান্ডেলের প্রতিমা যেন লাইন দিয়ে তাঁকে দর্শন দিতে এসেছে। একেকটি পুজো কমিটির তিন মিনিটের ছোট্ট অনুষ্ঠান। সেটাও সেই তাঁর সামনে এসেই।

খোলা মনে ‘‌চীন’‌ দেখালেন বুদ্ধদেব

চীনের ভাল, চীনের মন্দ। কোনওটাই তাঁর নজর এড়ায়নি। তথ্য, যুক্তি হেঁটেছে হাত ধরাধরি করে। একপেশে মনোভাব নিয়ে নয়, বিশ্লেষণ করেছেন খোলা মনে। অসুস্থ শরীর নিয়েও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বুঝিয়ে দিলেন, কেন তিনি অন্যদের থেকে আলাদা। অন্ধকার বইবাজারেও দেখালেন আলোর দিশা। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।