বইমেলা কেন পিছিয়ে গেল, গিল্ডকর্তাদের বলার সাহস নেই

মুখ্যমন্ত্রী মামা বাড়ি যেতেই পারেন। বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে যেতেই পারেন। এ নিয়ে সমালোচনা অবান্তর। কিন্তু তাঁর মামাবাড়ি যাওয়ার জন্য যদি বইমেলার উদ্বোধন পেছোতে হয়, সেটা বইমেলার পক্ষে মোটেই ভাল বিজ্ঞাপন নয়। বইমেলার সময় পিছোনোর পেছনে নিশ্চিতভাবেই তাঁর ‘‌অনুপ্রেরণা’‌। কিন্তু এই ‘‌অনুপ্রেরণা’টুকু স্বীকার করার সৎসাহস গিল্ডকর্তাদের নেই।‌ লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

শুধু তদন্ত নয়, সময়ও বেঁধে দেওয়া হোক

শুধু সিবিআই তদন্তই যথেষ্ট নয়। সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হোক। নইলে ভরা গ্রীষ্মেও সিবিআই আবার শীতঘুম দেবে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

প্লিজ, পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও আসুন

ভাষণ দেওয়ার দরকার নেই। শুধু একবার হাত নাড়বেন। ফিরে গিয়ে দেখবেন, আর অক্সিজেন সিলিন্ডার দরকার হচ্ছে না। ওই গর্জন বুঝিয়ে দেবে, মানুষ আপনাকে ভুল বোঝেনি। আপনাকে আমাদের দেওয়ার কীই বা আছে!‌ লক্ষ লক্ষ মানুষের গর্জন দিতে পারি। এক ব্রিগেড অক্সিজেন দিতে পারি। তাই প্লিজ, পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও আসুন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বিজেপির পালে যেটুকু হাওয়া, তা আসলে তাঁরই ‘‌অনুপ্রেরণা’‌

মুখ্যমন্ত্রীকে বোকা ভাবার কোনও কারণ নেই। তিনি জানেন, তাঁর আসল প্রতিপক্ষ কে। তিনি জানেন, বিরোধী ভোট ভাগ করতে হবে। একদিক থেকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে হবে। তাই বিজেপিকে যতটা সম্ভব, প্রাসঙ্গিক করে তুলতে হবে। যতটা সম্ভব অক্সিজেন দিতে হবে। লিখেছেন উত্তম জানা।

বড় চমক হতেই পারেন দেবলীনা

বিভিন্ন জেলা থেকে অনেক আদিবাসী কর্মী–‌সমর্থক আসবেন। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। দেবলীনার জ্বালাময়ী ভাষণ নিশ্চিতভাবেই প্রভাব ফেলবে।

নতুন বিভাগ:‌ বইমেলার ডায়েরি

শুরু হল বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— বইমেলার ডায়েরি। চলবে পুরো ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই। বইমেলার নানা ঘটনা, বিতর্ক যেমন থাকবে। তেমনই থাকবে কিছু স্মরণীয় বইয়ের আলোচনা।

আমার প্রিয় ছবি

শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ— আমার প্রিয় ছবি। আপনার প্রিয় ছবি নিয়ে লিখবেন আপনি। সেই ছবি সাতের দশকের হতে পারে, নয়ের দশকের হতে পারে। কয়েক বছর আগে মুক্তি পাওয়া ছবিও হতে পারে। সেইসব ছবিকে নিয়ে আপনার নস্টালজিয়ার কথাও উঠে আসতে পারে।‌

ব্রিগেডে লাখ লাখ জনতার সামনে ছেড়ে দিন ভিক্টরকে

বাম নেতৃত্ব যেভাবে কানহাইয়াকে সামনে আনার সাহসিকতা দেখিয়েছেন, ঠিক তেমনি ভিক্টরের ক্ষেত্রেও সাহসিকতা দেখান। নতুন মুখ তুলে ধরার এটাই সঠিক সময়। ভিক্টরের লড়াই গত কয়েকবছর ধরেই পরীক্ষিত, প্রমাণিত। এ কথা মিডিয়া না জানুক, বাম নেতৃত্বের অজানা নয়। তাই আর দেরি নয়, সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে লক্ষ লক্ষ জনতার সামনে ছেড়ে দিন ভিক্টরকে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

আজ শ্রীকান্ত মোহতা বুঝলেন, কাল অন্য কেউ বুঝবেন

যে শ্রীকান্ত মোহতার একটা এস এম এসে হাজির হয়ে যেত তামাম টলিউড, আজ তিনি জেলে। ঝিঙ্কু–‌মামনিরা কেউ পাশে নেই। এমনকী বিবৃতিও নেই। সবাই বোধ হয় হাফ ছেড়ে বাঁচলেন। শ্রীকান্ত মোহতাদের এমন পরিণতিই হয়। আজ তিনি বুঝলেন। কাল হয়ত অন্য কেউ বুঝবেন। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।