বাম নেতৃত্ব যেভাবে কানহাইয়াকে সামনে আনার সাহসিকতা দেখিয়েছেন, ঠিক তেমনি ভিক্টরের ক্ষেত্রেও সাহসিকতা দেখান। নতুন মুখ তুলে ধরার এটাই সঠিক সময়। ভিক্টরের লড়াই গত কয়েকবছর ধরেই পরীক্ষিত, প্রমাণিত। এ কথা মিডিয়া না জানুক, বাম নেতৃত্বের অজানা নয়। তাই আর দেরি নয়, সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে লক্ষ লক্ষ জনতার সামনে ছেড়ে দিন ভিক্টরকে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
যে শ্রীকান্ত মোহতার একটা এস এম এসে হাজির হয়ে যেত তামাম টলিউড, আজ তিনি জেলে। ঝিঙ্কু–মামনিরা কেউ পাশে নেই। এমনকী বিবৃতিও নেই। সবাই বোধ হয় হাফ ছেড়ে বাঁচলেন। শ্রীকান্ত মোহতাদের এমন পরিণতিই হয়। আজ তিনি বুঝলেন। কাল হয়ত অন্য কেউ বুঝবেন। লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
সাধারণতন্ত্র দিবসে রইল সংবিধানের আত্মকথা। জন্মের ৬৯ বছর পর কী বলতে চায় আমাদের সংবিধান? কেন্দ্র, রাজ্য, পঞ্চায়েত সব জায়গায় সে নির্যাতিত। সেই নির্যাতনের কথা যেন নিজের মুখেই বলতে চাইছে আমাদের সংবিধান।
অনেকে ভাবতেই পারেন, আমার যাওয়া–না যাওয়ায় কী আসে যায়! আমি গেলেই বা কী, না গেলেই বা কী? আমিও এরকমই ভাবতাম। কিন্তু পরে মনে হল, নিরাপদ দূরত্বে থেকে শীতের রোদ গায়ে মেখে পিকনিক করা বা ছুটির দিনে মাংস ভাত খেয়ে জম্পেস শীত ঘুম দেওয়ার থেকে ব্রিগেডে যাওয়াই ভাল।