পথ দেখিয়ে গেছেন মহানায়ক। তিনি নিজে হয়ত হিন্দি ছবিরু দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা।
একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।
মেয়র নিয়ে জল্পনায় হয়ত ইতি পড়তে চলেছে। বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র হতে চলেছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। কখনও তাপস চ্যাটার্জি, কখনও সুজিত বসুর নাম ভেসে উঠেছিল। কিন্তু মেয়াদ ফুরোনোর আগে বাকি কটা দিন এই দায়িত্ব সামলাবেন কৃষ্ণাই।
(বাংলা ভাগের নিদান দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিল সম্মিলিত প্রতিবাদে। বিদায়ী গভর্নর জেনারেল কীভাবে দেখেছিলেন মোহনবাগানের শিল্ড জয়কে ? সেই সময়ে ফিরে গিয়ে লর্ড কার্জনের মনের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।