দীপাবলি এলেই বেজে ওঠে তাঁর গান। আবার যেন জীবন্ত হয়ে ওঠেন পান্নালাল ভট্টাচার্য। কেন শ্যামাসঙ্গীতকেই বেছে নিলেন? কোন অবসাদে নিজেকে নিয়ে গেলেন আত্মহননের পথে? তাঁর জীবনের নানা দিক নিয়েই বেঙ্গল টাইমসের ফিচার।
কয়েক মিনিট অন্ধকার। তার জন্য মঞ্চেই চেঁচিয়ে উঠলেন। অফিসারদের সাসপেন্ড করা হল। কোথাও কোনও প্রতিবাদ নেই। শ্লেষ নেই, ব্যঙ্গ নেই, হেলদোল নেই। সবকিছুই কেমন যেন সয়ে গেছে। তবু ভাল, ভাগ্যিস বলেননি অন্ধকার করে দিয়ে তাঁকে খুনের চক্রান্ত হয়েছিল। লিখেছেন ধীমান সাহা।
আবার আজগুবি এক দাবি করে বসলেন নরেন চ্যাটার্জি। দেশের স্বাধীনতা দিবস নাকি বদল করতে হবে। নরেনবাবুর নিদান অনুযায়ী, স্বাধীনতা দিবস হবে ২১ অক্টোবর। নেতাজির নামে যে যা খুশি ফাজলামি করে যাবেন? এই অর্বাচীন লোক কিনা নেতাজির তৈরি দলের রাজ্য সম্পাদক! লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
সময়ের কাজ সময়ে করতে পারি না। বাকির পাহাড় জমে যায়। কীভাবে সময়কে কাজে লাগানো যায়? আসুন, কয়েকটা জরুরি পরামর্শে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক।
তিন দিন ধরে একটি দলের রাজ্য সম্মেলন হয়ে গেল। বাংলার মিডিয়া জগতকে দেখে বোঝার উপায় নেই। অধিকাংশ কাগজে খবরটাই নেই। এক দুটো কাগজে যদিও বা আছে, আট–দশ লাইনের। চোখেও পড়বে না।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
আস্ত একটা ট্রেনের কামরা বুক করে বেড়াতে যাওয়া। সঙ্গে ধাঁধুনি তো আছেই, সেইসঙ্গে লম্বা সফরে ধোপা–নাপিতও যাচ্ছেন আপনার সঙ্গে। বেড়াতে গিয়েই হয়েছে প্রেম, বিয়েও। কত অজানা কাহিনী এই কুণ্ডু স্পেশালকে ঘিরে। সেই বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কর্ণধার সৌমিত্র কুণ্ডুর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার। তাঁর মুখোমুখি বেঙ্গল টাইমসের প্রতিনিধি অয়ন দাস।।
তিন বছর ধরে চলছে বেতন কমিশন। ফের মেয়াদ বাড়ানো হল। এই কমিশন বা তার রিপোর্টের আদৌ কোনও গুরুত্ব আছে? যে রিপোর্ট দেওয়া হবে, সেটা মুখ্যমন্ত্রীর পড়ার ধৈর্য থাকবে তো? সেই রিপোর্টই দেওয়া হবে, যেটা তিনি চাইবেন। সেটাই ঘোষণা হবে, যেটা তাঁর ইচ্ছে হবে। তাহলে তিন বছর ধরে বেতন কমিশন নামক শিখণ্ডিকে খাড়া করা হচ্ছে কেন? মেয়াদ বাড়ানোর এই আবেদন, তার পেছনেও ‘অনুপ্রেরণা’ নেই তো? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
আবার ওঁরা এক ফ্রেমে। যে গুরুর আশ্রমে ওদের একসঙ্গে পথ চলা শুরু, আবার সেই গুরুর বাড়িতেই। রমাকান্ত আচরেকারের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছেন শচীন তেন্ডুলকার। পাশে দাঁড়িয়ে বিনোদ কাম্বলি। ছবিটা সত্যিই মনে রাখার মতো।
চার মিনিট ছাড়া ছাড়া চলতে পারে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো। এমনই ইঙ্গিত রেলসূত্রে। তবে সবসময়ই যে চার মিনিট ছাড়া চলবে, এমন নয়। কোন সময় কেমন লোক হচ্ছে, সেটা বুঝেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ব্যবধান বাড়ানো হতেই পারে। তবে আপাতত অফিস টাইমে চার মিনিট ছাড়া ছাড়া চালানোর ভাবনা রয়েছে।