এক যে আছে সৃজিত

পুজোর আবহে আবার ফিরে এলেন নন্দ ঘোষ। একগুচ্ছ বাংলা ছবি বেরোচ্ছে শুনেই দেখতে চলে গেলেন সৃজিত মুখার্জির ছবি— এক যে ছিল রাজা। ফিরে এসেই বললেন, রিভিউ লিখব। তাঁকে থামায়, এমন সাধ্য কার!‌ পুজোর বাজনা শুনতে শুনতেই লিখে ফেললেন নন্দ ঘোষের কড়চা।

অহেতুক জটিলতা বাড়াচ্ছে রেল

নতুন চেহারায় আইআরসিটিসি। একগুচ্ছ নতুন পরিষেবা। আর এসবের ভীড়ে টিকিট কাটা বেশ ভোগান্তির ব্যাপার। সংস্কারের নামে অহেতুক জটিলতা বাড়াচ্ছে রেল। আইআরসিটিসি–‌কে ফিরিয়ে দেওয়া হোক আগের চেহারায়। লিখেছেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।

সত্যিই যদি পুলিশ এত তৎপর হত!‌

পুলিশের তৎপরতা দেখে অবাক না হয়ে পারি না। সত্যিই কী তৎপরতা। শিলিগুড়ির পুলিশ চলে এল হাওড়ায়। আত্মীয় বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে ফের শিলিগুড়িতে নিয়ে যাওয়া হল সুকৃতী আঁশকে। কে এই সুকৃতী, তা আর বলে দেওয়ার দরকার নেই। পুলিশের কল্যাণে এতদিনে তাঁর নাম সারা রাজ্যই জেনে গেছে।

‌সুকৃতীরাই দিন বদলের সৈনিক

আজ যে স্বৈরতন্ত্রের আগুন আপনার অপরিচিত ছেলে বা মেয়েকে গ্রাস করছে, কাল তাতে আপনি বা আপনার ছেলে-মেয়েও “দগ্ধ” হতে পারেন, সে আপনি “উদাসীন” ই থাকুন বা “মৌনব্রত” ই পালন করুন। সুতরাং সময় এসেছে এই বিষবাষ্পাকূল পরিবেশ থেকে পরিত্রাণের পথ খোঁজ়ার। তাই প্রতিবাদে সামিল হোন। এই উৎসবের মাঝে সুকৃতী আঁশের সমর্থনে অগ্রণী হোন। “সুকৃতী” রাই এই “বধ্যভূমি” থেকে দিন বদলের লক্ষ্যে অভ্রান্ত সৈনিক।লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

আটকে গেল চীন, ঘুমন্ত দৈত্য জাগছে!‌

সায়ন ঘোষ এশিয়ান ফুটবলের ঘুমন্ত দৈত্য ভারত যে আস্তে আস্তে জেগে উঠছে তা আর‌ও একবার টের পাওয়া গেল। ব্লু টাইগার্সরা রেড ড্রাগনসদের আটকে দিল। সাম্প্রতিক কালে এটিই ভারতীয়দলের সেরা ম্যাচ।...

মাল্টিপ্লেক্সে বাংলা, এই ফতোয়া সত্যিই কি গৌরবের?‌

যেসব শিল্পীদের টুইট করার ধুম লেগেছে, তাঁরা দয়া করে ভাবুন, বাংলা সিনেমার প্রতি এটা মোটেই ভাল বিজ্ঞাপন নয়। জোর করে হলে চালাতে হচ্ছে, সংরক্ষণ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হচ্ছে। তার মানে বাংলা ছবি নিজের জোরে হলে জায়গা করে নিতে পারে না?‌ একটু ভেবে দেখুন, তাহলে বুঝবেন, এই নিয়ম মোটেই গৌরবের নয়। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

একসঙ্গে হাফডজন ছবির মুক্তি

গতবছরও পুজোর ঠিক আগেই মুক্তি পেয়েছিল একঝাঁক বাংলা ছবি। এবারও তাই। প্রায় হাফ ডজন ছবি অপেক্ষা করছে আপনার জন্য।কী কী ছবি বেরোচ্ছে, একঝলক দেখে নেওয়া যাক।

মন ছুঁয়েছে লেপচাজগত

খুব পরিচিত জায়গা নয়। তবে মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতোই ঠিকানা লেপচাজগত। পাইন বনে মেঘের আনাগোনা। আকাশ একটু পরিষ্কার থাকলেও ডানা মেলবে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেখান থেকে ফিরে এসে দু–‌চার কথা। ভাগ করে নিলেন সন্দীপ লায়েক।

নিজের মধ্যে পুষে রাখা জড়তার প্রাচীর ভেঙে ফেলুন

ছোটবেলার বা কলেজ জীবনের কোনও একটা ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়, মনে হয় ক্ষমা চাইতে পারলে হয়ত কিছুটা হালকা লাগত। অকপটে সেসব কথাও বলা যায়। তারপর দরকার হলে সেই লেখার লিঙ্ক পাঠিয়ে দিন সেই মানুষটির কাছে। সহজ কথা, কোনও গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ নয়, কোনও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নয়, একেবারে মনের কথা, সহজ ভাষায়। যেন ‘নদী আপন বেগে পাগল পারা’। নিজের ভাবনার ডালপালা মেলে ধরুন।

অশূর নয়, মা দুর্গার আসল শত্রু বরুণ দেব

শান্তিতে বাপের বাড়ি যাওয়ার উপায় নেই। প্রতিবারই কিছু না কিছু ঝামেলা ঠিক উদয় হয়। এবার আবার হাওয়া অফিস জানিয়েছে, তিতলি আসছে, বৃষ্টি হবে। অশূরকে নিয়ে ঝামেলা নেই, এবার নতুন উৎপাত শুরু করেছে বরুণ দেব। দেবীপক্ষের শুরুতেই রম্যরচনা কুণাল দাশগুপ্তর।