সত্যজিৎ রায় রোজ ভোরে উঠে কী করতেন ? সবার আগে তিনি চিঠি লিখতে বসতেন। অনেক চিঠি জমে থাকত। শুটিং চলাকালীন লেখা হত না। তবে একটু ফুরসত পেলেই বসে যেতেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সেইসব চিঠি নিয়ে। একের পর এক চিঠির উত্তর লিখতেন। কাউকে হয়ত নিজে থেকেই লিখলেন। রোজ তিনটে বা চারটে চিঠি লিখতেন। তখনও বাড়ির অন্য কেউ হয়ত ঘুমিয়েও ওঠেননি। তারপর কাজ শুরু করতেন।
পড়ায় মনোযোগ নেই বলে বাবা মাঝে মাঝে ধমক দিচ্ছেন। একদিন হঠাৎ প্রাত্যহিকীর সঞ্চালক আমার নাম ঘোষণা করলেন। আমি আবেগে হাততালি দিয়ে উঠলাম। বাবা বুঝতে পারলেন কেন আমি রেডিওর সামনে বসে থাকতাম। বাবা খুব রাশভারী মানুষ। মন দিয়ে পুরো চিঠিটা শুনলেন। চিঠি শেষ হওয়ার পর আবার আমার নাম ঘোষণা হল। বাবার চোখের কোণে জল।স্মৃতির সরণি বেয়ে এমনই মুহূর্ত তুলে আনলেন শৈলেন মণ্ডল।।
কাকে মানাবে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায়? মুম্বইয়ে তখন অভিনেত্রীর অভাব নেই। একের পর এক গ্ল্যামারাস মুখ। তবু গুলজারকে কিনা ছুটে আসতে হয়েছিল কলকাতায়!
পুজোর আবহে আবার ফিরে এলেন নন্দ ঘোষ। একগুচ্ছ বাংলা ছবি বেরোচ্ছে শুনেই দেখতে চলে গেলেন সৃজিত মুখার্জির ছবি— এক যে ছিল রাজা। ফিরে এসেই বললেন, রিভিউ লিখব। তাঁকে থামায়, এমন সাধ্য কার! পুজোর বাজনা শুনতে শুনতেই লিখে ফেললেন নন্দ ঘোষের কড়চা।