ভাল জায়গায় অল্প লোকই যায়

চাইলে নির্জন স্টেশনে বসে থাকতে পারেন। চাইলে জঙ্গলের বুক-চেরা রাস্তা দিযে হেঁটে আসতে পারেন। আর নইলে কয়েক ঘণ্টার জন্য একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে আশপাশের এলাকা ও প্রকৃতি ঘুরে দেখতে পারেন।হয়ত গিয়ে দেখবেন অন্য কোনও পর্যটক নেই। হয়ত আপনারাই একমাত্র পর্যটক। দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। ভাল জায়গায় অল্প লোকেই যায়।

মেট্রোয় শৌচাগারঃ এত গড়িমসি কেন ?

মেট্রো রেলে শৌচাগার নেই। আটের দশকে না হয় তেমন দরকার ছিল না। কিন্তু ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েও করা যাবে না ? যাত্রীদের সমস্যা মেট্রো কর্তৃপক্ষ কবে আর ভাববেন ? ট্রেনে যদি নাও করা যায়, প্ল্যাটফর্মে তো ব্যবস্থা করা যেতেই পারে। বাধা কোথায় ? লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।

ফেসবুকে ফিরে এল হারিয়ে যাওয়া প্রাত্যহিকী

অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে প্রাত্যহিকী। এফ এম এল, কলকাতা ক কোথায় যেন হারিয়ে গেল। প্রাত্যহিকীর সেই চিঠিগুলো স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। আবার ফিরে এসেছে সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো।

মোবাইলেও শুনতে পারেন প্রাত্যহিকী

অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে প্রাত্যহিকী। এফ এম এল, কলকাতা ক কোথায় যেন হারিয়ে গেল। প্রাত্যহিকীর সেই চিঠিগুলো স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। আবার ফিরে এসেছে সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো। মোবাইলেই শুনতে পারেন প্রাত্যহিকী। কীভাবে?‌ হদিশ বেঙ্গল টাইমসে।

পাহাড়ি জনপদে বর্ষণমুখর দুটো দিন

এমন আজগুবি আবদার সে নিশ্চয় এই জন্মে শোনেনি। কার্শিয়াং থেকে একটা আলাদা গাড়ি নিয়ে চলে গেলাম চিমনির দিকে। অনেকটাই ডাউহিলের রাস্তায়। ইচ্ছে ছিল একবার ডাউহিলে নামার। কিন্তু এমন বৃষ্টি, নামার সুযোগ হল না। গাড়ি চলল চিমনির দিকে। গিয়ে থামল সেই হোম স্টে–‌র সামনে। হঠাৎ হানা দেওয়া সেই জনপদ। উঠে এল অভীক মজুমদারের লেখায়।

ঝাড়খণ্ডের সাহেবপাড়াঃ ম্যাকলাস্কিগঞ্জ

সাহেবদের হাতের বানানো জনপদ। এখনও রয়ে গেছে সেইসব বাংলো। পাহাড় আর জঙ্গলে ঘেরা অন্য এক অন্য ভুবন। ইতিহাস অনেক কথাই বলতে চায়। তাই নিয়ে লিখলেন তোর্সা চ্যাটার্জি।।

চট করে চটকপুরে

টাইগার হিল থেকে যেমন সূর্যোদয় বা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখবেন, এখান থেকেও তেমনই দেখবেন। তবে ওই ভিড়, ট্রাফিক জ্যামের চক্করে পড়তে হবে না। একেবারে নিরিবিলিতে একটা সুন্দর সকাল আপনার জন্য অপেক্ষা করছে।

শেষ চিঠি কবে লিখেছেন, মনে আছে ?

সত্যজিৎ রায় রোজ ভোরে উঠে কী করতেন ? সবার আগে তিনি চিঠি লিখতে বসতেন। অনেক চিঠি জমে থাকত। শুটিং চলাকালীন লেখা হত না। তবে একটু ফুরসত পেলেই বসে যেতেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সেইসব চিঠি নিয়ে। একের পর এক চিঠির উত্তর লিখতেন। কাউকে হয়ত নিজে থেকেই লিখলেন। রোজ তিনটে বা চারটে চিঠি লিখতেন। তখনও বাড়ির অন্য কেউ হয়ত ঘুমিয়েও ওঠেননি। তারপর কাজ শুরু করতেন।

‌ছেলেবেলার প্রাত্যহিকী ও বাবার দেওয়া একশো টাকা

পড়ায় মনোযোগ নেই বলে বাবা মাঝে মাঝে ধমক দিচ্ছেন। একদিন হঠাৎ প্রাত্যহিকীর সঞ্চালক আমার নাম ঘোষণা করলেন। আমি আবেগে হাততালি দিয়ে উঠলাম। বাবা বুঝতে পারলেন কেন আমি রেডিওর সামনে বসে থাকতাম। বাবা খুব রাশভারী মানুষ। মন দিয়ে পুরো চিঠিটা শুনলেন। চিঠি শেষ হওয়ার পর আবার আমার নাম ঘোষণা হল। বাবার চোখের কোণে জল।স্মৃতির সরণি বেয়ে এমনই মুহূর্ত তুলে আনলেন শৈলেন মণ্ডল।।

সুচিত্রার জন্য গুলজারকে ছুটে আসতে হয়েছিল কলকাতায়

কাকে মানাবে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায়? মুম্বইয়ে তখন অভিনেত্রীর অভাব নেই। একের পর এক গ্ল্যামারাস মুখ। তবু গুলজারকে কিনা ছুটে আসতে হয়েছিল কলকাতায়!