শান, শানুদের চেয়ে ঢের বেশি বাঙালি লতা

একবার শান, বাবুলের বাংলা গান শুনুন। আর একবার লতার বাংলা গান শুনুন। সুর, তাল, লয়ের তুলনা করছি না। শুধু উচ্চারণের তুলনা করছি। বলুন তো কার গান বেশি বাংলা ? কার উচ্চারণ বেশি বাঙালি ? অবশ্যই লতার।লিখেছেন রাহুল বিশ্বাস।।

এভাবে ধরে বেঁধে বিয়ে!‌ টিকলে হয়

কয়েকদিন সেলফি তোলা, ঘোরাঘুরি করা, ফেসবুকে ছবি দেওয়া— এসব থাকবে। মোহ কেটে যেতে সময় লাগবে না। যে বিয়ে কার্যত কোর্টের নির্দেশে হয়, সেই বিয়ে টিকতে পারে না। আবার হয়ত সৌম্যজিতের নামে নতুন কোনও মামলা হবে। মোদ্দা কথা, এই বিয়ে ভাঙতে বাধ্য।

এত তাড়াহুড়ো কীসের? আরেকটু ধৈর্য রাখা গেল না!

মৃত্যু এখন রীতিমতো ইভেন্ট। তাই আর মৃত্যু পর্যন্ত তর সয় না চ্যানেলগুলির। সকাল থেকেই স্টুডিও–তে শুরু হয়ে গেল স্মৃতিচারণ পর্ব। সন্ধে পর্যন্ত আর অপেক্ষা করা গেল না। বাজপেয়ী জানতেন, সংযম কাকে বলে। কিন্তু তাঁর মৃত্যুতে মিডিয়া দেখিয়ে দিল, সংযম–শিষ্টাচার কীভাবে বিসর্জন দিতে হয়। লিখেছেন অজয় কুমার।।

সম্পর্ক যদি এতই ভাল, এনডিএ ছাড়তে হয়েছিল কেন?

বাজপেয়ীর সঙ্গে কার কেমন সম্পর্ক ছিল, তা নিয়ে যে যা পারছেন, বলে যাচ্ছেন। তিনি নাকি সবার ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তবু কেউ কেউ তাঁর সরকার থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছিলেন। এতই যদি ভাল সম্পর্ক, তাহলে সরকার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হল কেন ? লিখেছেন প্রসেনজিৎ বর্মণ।

‘সৌজন্য প্রতিরোধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’

উন্নয়ন আর সৌজন্যের হাত থেকে রেহাই নেই। সুভাষ মুখুজ্জে থেকে সোমনাথ চাটুজ্জে। সুনীল গাঙ্গুলি থেকে সুচিত্রা সেন। এখনও সময় আছে। সৌমিত্র চাটুজ্জে, নীরেন চক্কোত্তিরা সাবধান হোন। আরও কারও কারও জন্য বিশেষ ছাড়। খোলা হচ্ছে ‘সৌজন্য প্রতিরোধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’। এমন অভিনব আইডিয়া নিয়ে দুরন্ত লেখা রবি করের।

এই ভাষণ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ নয়

লালকেল্লার মঞ্চ বিরোধীদের আক্রমণের জায়গা নয়। এই সহজ শিক্ষাটাই এখনও আয়ত্ব করতে পারেননি। সারাক্ষণ শুধু নিজেই নিজের ঢাক পিটিয়ে গেলেন। এর আগেও তো অনেক প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন। অন্য দলের প্রধানমন্ত্রীদের কথা ছেড়ে দিন, নিজের দলের অটল বিহারী বাজপেয়ীর ভাষণ শুনুন। তাহলেই তফাতটা বুঝতে পারবেন। লিখেছেন বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়।

‌বিদেশে প্রথম সিরিজ জয় কিন্তু তাঁর নেতৃত্বেই

বিদেশের মাটিতে আমরা এখনও হেরেই চলি। অথচ, বিদেশের মাটিতে জিততে শিখিয়েছিলেন ওয়াদেকার। তাও আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলকে সিরিজ হারানো। গাভাসকারের অভিষেক তাঁরই নেতৃত্বে, ভারতের প্রথম একদিনের ম্যাচেও নেতা তিনিই। কোচ, নির্বাচক হিসেবেও বেশ সফল। নিঃশব্দেই বিদায় নিলেন এই মানুষটি।

এন ও, নো, নো মানে না

বারবার অনুরোধ এসেছে রাজ্যপাল হওয়ার। সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন। চাইলেই হতে পারতেন রাষ্ট্রদূত। ভেবেও দেখেননি। রাষ্ট্রপতি মনোনীত সাংসদ হিসেবে রাজ্যসভায় পাঠাতে চেয়েছিল সরকার। যথারীতি, এবারও না করে দিয়েছেন। কোন পদে ছিলেন, সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কোন কোন পদ হেলায় ফিরিয়ে দিয়েছেন, সেই গৌরবটাও কিন্তু কোনও অংশে কম নয়।

এই দেশে উল্লাস, ওই দেশে কান্না

আমাদের কাছে পনেরোই আগস্ট মানে স্বাধীনতা দিবস। আনন্দের দিন। কিন্তু পাশের দেশে ছবিটা অন্যরকম। সেখানে পনেরোই আগস্ট মানে মর্মান্তিক এক হত্যাকান্ড। পনেরোই আগস্ট মানেই ভয়াবহ সেই স্মৃতি। পনেরোই আগস্ট মানে যন্ত্রনার দিন, কান্নার দিন।

উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী

পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।