বারবার অনুরোধ এসেছে রাজ্যপাল হওয়ার। সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছেন। চাইলেই হতে পারতেন রাষ্ট্রদূত। ভেবেও দেখেননি। রাষ্ট্রপতি মনোনীত সাংসদ হিসেবে রাজ্যসভায় পাঠাতে চেয়েছিল সরকার। যথারীতি, এবারও না করে দিয়েছেন। কোন পদে ছিলেন, সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কোন কোন পদ হেলায় ফিরিয়ে দিয়েছেন, সেই গৌরবটাও কিন্তু কোনও অংশে কম নয়।
আমাদের কাছে পনেরোই আগস্ট মানে স্বাধীনতা দিবস। আনন্দের দিন। কিন্তু পাশের দেশে ছবিটা অন্যরকম। সেখানে পনেরোই আগস্ট মানে মর্মান্তিক এক হত্যাকান্ড। পনেরোই আগস্ট মানেই ভয়াবহ সেই স্মৃতি। পনেরোই আগস্ট মানে যন্ত্রনার দিন, কান্নার দিন।
পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।
বহিষ্কারের পরেও একের পর এক প্রস্তাব এসেছে। দৃঢ়ভাবে ‘না’ করতে পেরেছেন সোমনাথ চ্যাটার্জি। দল বহিষ্কার করলেও তিনি অন্য শিবিরে আশ্রয় খোঁজেননি। আমৃত্যু আদর্শ থেকে টলানো যায়নি। শুধু বাগ্মিতা নয়, ভাল সাংসদ হতে গেলে এই দৃঢ়তাও জরুরি। অন্যদের দোষারোপ করার আগে ঋতব্রতরা এগুলো ভেবে দেখুন।। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।