আটের দশক বা নয়ের দশকেও দশজনের মধ্যে অন্তত সাত–আটজন সাঁতার জানত। গত পনেরো–কুড়ি বছরে ছবিটা যেন একেবারেই বদলে গেছে। স্নান করতে এখন পুকুরে যাওয়ার রেওয়াজটাই কমে গেছে। এখন একশো জন কিশোর বা তরুণের মধ্যে পাঁচজন সাঁতার জানে কিনা সন্দেহ। মন্দারমণির দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লিখেছেন ধীমান সাহা।।
সব কটেজকে এমন আকাশছোঁয়া ভাড়ার থ্রি স্টার কটেজ নাই বা করলেন! এই উদ্ভট পরীক্ষা নিরীক্ষা বাঙালিকে আরও পর্যটন বিমুখ করে তুলতে পারে। গুটিকয় অভিজাত পর্যটক বাড়াতে গিয়ে আম বাঙালিকে পর্যটন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া কি খুব জরুরি? চাই না থ্রি স্টারের তকমা। বাঙালিকে মনের আনন্দে ঘুরতে দিন।। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
পর্যটন নিয়ে আদৌ কি সরকার ভাবে? মুখে পর্যটনের প্রসারের কথা বলে হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু পর্যটনমন্ত্রীর গুরুত্ব কতটুকু? গত ২ বছরে তাঁর কদিন দক্ষিণবঙ্গে কেটেছে? কী করে শিলিগুড়ি পুরসভা দখল করতে হবে, কীভাবে অন্য দল থেকে আসা লোকের হাতে পতাকা গুঁজে দিতে হবে, সারাক্ষণ এই চেষ্টাতেই মগ্ন। এর বাইরে ভাববেন, সেই সময় কোথায়! লিখেছেন রাজীব চৌধুরি।।