কী দিনকাল এল! যে পারছে, প্রণব মুখার্জিকে জ্ঞান দিয়ে দিচ্ছে। যেন সবাই প্রণব মুখার্জির থেকে বেশি বোদ্ধা। প্রণববাবু জানেন, কোথায় যেতে হয়, কী বলতে হয়, কতটুকু বলতে হয়। এবং, কী বলতে নেই। এই সংযম কখনই হারাননি। যাঁরা অহেতুক বিতর্ক তুলছেন, তাঁরাই বরং বেশি অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছেন। লিখেছেন ধীমান সাহা।।
ট্যাক্সির ভাড়া বাড়ুক। কিন্তু অহেতুক জটিলতা যেন না তৈরি হয়। কী কী ধাপে বাড়বে, তার একটা নির্দিষ্ট নিয়ম থাকুক, এবং তা সহজবোধ্য হোক। এমনই কিছু ফর্মুলা উঠে এল জগবন্ধু চ্যাটার্জির লেখায়।
ব্ল্যাককফি হাতে সত্যজিৎ রায় বসে থাকতেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ঋত্বিক ঘটক এসে তাকিয়ে থাকতেন কাঞ্চনজঙ্ঘার দিকে। অমিতাভ বচ্চন, রাজেশ খান্না এলেও বাইরে কাতাকে কাতারে ভিড়। দার্জিলিংয়ের সেই হেরিটেজ কেভেন্টার্সকে নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।
নিজেদের টাকায় ওঁরা ৯ বার বিশ্বকাপে গেছেন। হয়ত এটাই ওঁদের শেষ বিশ্বকাপ। সরকার কি পারত না কলকাতার এই দম্পতির পাশে দাঁড়াতে। ক্লাবে অনুদানের নামে এত এত অপচয়, এত পুরস্কারে ফুলঝুরি। অথচ, এই দম্পতিকে সামান্য দু–তিন লাখ টাকা দেওয়া যেত না? ওপেন ফোরামে প্রশ্ন তুললেন অমিত ভট্টাচার্য।।
কয়েকটি লেখায় চোখ রাখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন, কী জাতীয় লেখা চাওয়া হচ্ছে। আপনিও আপনার অনুভূতি মেলে ধরুন বেঙ্গল টাইমসের পাতায়। এই বিশ্বকাপ যতটা রোনাল্ডো–মেসিদের, ততটাই আপনারও।