মান্না দে-কে নিয়ে সিনেমা। তাতে অভিনয় করছেন স্বয়ং মান্না দে ! কফিহাউসে বসে গাইলেন অমরত্ব পাওয়া সেই গান। শুটিংয়ের টুকরো টুকরো নানা মুহূর্ত তুলে ধরলেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়। তাঁর মুখোমুখি মৌতান ঘোষাল ।।
জন্মদিনে কিংবদন্তি শিল্পীর প্রতি বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।।
একসঙ্গে সাত জেলায় ভোট। সবার চোখ বীরভূমে। সবার চোখ গুড়বাতাসায়। ভোটে যেই জিতুক, আসল জয় গুড়বাতাসার। ল্যাংচা, মিহিদানা, সরভাজা, পান্তুয়া- সবাই দশ গোল খেল গুড়বাতাসার কাছে। কেষ্টবাবুর হাত ধরে এ যেন হারিয়ে যাওয়া মিষ্টির নবজন্ম। এই নিয়েই বিশেষ লেখা- ‘‘গুড়বাতাসার আত্মকথা’’। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
বাকিরা হাত পেতে টাকা নিলেন। যা পেলেন, তাই নিলেন। একমাত্র হাকিমবাবু নিলেন না। বললেন, এই টাকা আমরা নিলে ছোট ছেলেরা কী নেবে? বুঝিয়ে দিলেন, মাত্র পাঁচ লাখে তাঁকে কেনা যায় না। তাঁর এই মহানুভবতা ও স্বার্থত্যাগকে বাঙালি বুঝল না। এই আকালে বাঙালির মর্যাদা তিনিই রক্ষা করলেন। তাঁকে খোলা চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
একটু পড়শি রাজ্যে গেলে কেমন হয়? ঘরের কাছেই তো আছে মধুপুর। কীভাবে যাবেন, কী দেখবেন ? সন্ধান দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি। পড়ুন। ইচ্ছে হলে এই শীতেই ঘুরে আসুন।
কোনও এক রাজ্যে, কোনও এক সরকারি হাসপাতালে, গুডবার্ন নামে একটি ওয়ার্ড আছে। সেখানে ভর্তি ছিলেন বদন নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। সম্প্রতি তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। বদনকে হারিয়ে গুডবার্ন ওয়ার্ড কী ভাবছে ? তার বোবা কান্না সেই পথ দিয়ে যেতে যেতে শুনে ফেললেন রবি কর।।
নাটকের কিছুই তিনি বোঝেন না। তবু পাকামি করে নাটক দেখতে চলে যান। ভাবেন, নাটক দেখলে লোকে হয়ত ‘বুদ্ধিজীবী’ বলবে। এবার গেলেন ‘তুঘলক’ নাটক দেখতে। বললেন, সেই তুঘলক নাকি এখনও আছে। আজগুবি এক রিভিউ লিখলেন রবি কর।
কেউ ভালবাসেন নাটক, কেউ সিনেমা, কেউ মগ্ন সিরিয়ালে। এই তিন শ্রেণীর দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে। কেউ অন্যকে দেখে নাক সেঁটকান, আবার কেউ অন্যকে বলেন ‘আঁতেল’। পীযূষ গাঙ্গুলি বোধ হয় তিনটে শ্রেণীকে এক আঙিনায় এনেছিলেন। তাই শোক ও শূন্যতায় মহামিলন তিন শ্রেণীর। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
মৌতান ঘোষাল কলকাতা ফুটবলের মক্কা। এই শহরের মানুষের প্রায় সবারই জন্ম পরিচয়ের সঙ্গে জুড়ে যায় মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল বা মহমেডান সমর্থকের তকমা। আর তাই এই শহরের ফুটবল আবেগকে আজীবন কুর্ণিশ জানিয়ে...
মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। কিশোর কুমারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।
অনেকেরই নকল করতেন। সেই তালিকায় বাদ নেই সত্যজিৎ রায়ও। তাঁর সামনেই তাঁর গলা নকল করে গান করেছিলেন কিশোর কুমার। দুটি মৃত্যুর গানে টাকা নিয়েও ফেরত দিয়েছিলেন। কিশোর কুমারের জীবনের এমন টুকরো টুকরো কিছু ঘটনা সামনে আনলেন মৌতান ঘোষাল।