শাসক থেকে সভা করা আর বিরোধী থেকে সভা করার মাঝে ফারাক অনেক। সেটা তৃণমূলও হাড়ে হাড়ে বুঝল। মমতাকে দেখে অনেকের খারাপ লাগতেই পারে। অনেকের করুণা হতেই পারে। কিন্তু তার থেকেও অনেক বেশি করুণা বোধ হয় শাসকদলের প্রাপ্য। হেরে যাওয়া মমতাকে আটকাতে এত নীচে না নামলেও পারতেন!
ঠিক চার বছর আগে। বিশ্বকাপ ফাইনালের কয়েকদিন পরেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন ফুটবল সম্রাট পেলে। এবারও ছিল বিশ্বকাপের আবহ। সারা পৃথিবী মেতেছিল বিশ্বকাপে। ফাইনালের ঠিক আগেই চিরঘুমের দেশে স্যর গ্যারি। দুই খেলার দুই কিংবদন্তির কী অদ্ভুত মিল! দুজনকেই অদ্ভুতভাবে মিলিয়ে দিয়ে গেল বিশ্বকাপ।
এই তাকদাতেই সতেরোখানা বাংলো বানিয়েছিলেন ব্রিটিশরা। এখানেই ছিল তাঁদের ক্যান্টনেন্ট। কালের নিয়মে কোনওটা ভগ্নপ্রায়। কোনওটা হয়েছে স্কুল। কোনওটা হয়েছে গেস্ট হাউস। মেঘমাখানো তাকদার সেই ইতিহাস উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর লেখায়।
স্নেহা সেন বেশ প্রত্যাশা জাগিয়েই শুরু করেছিলেন। দারুণ সাফল্যও এসেছিল। সাফল্য অনেকেরই মাথা ঘুরিয়ে দেয়। বাংলার পরিচালক জুটি এই স্বাভাবিক নিয়মের ব্যতিক্রম নয়। যে পরিচালকদের কথা বলা হচ্ছে, তাঁরা নন্দিতা...
পাহাড়ের ভোর। সে এক অনাবিল আনন্দ। সাতসকালেই একমুখ হাসি নিয়ে হাজির মনোজ তামাং। বললেন, সামনের ওই পাহাড়টায় চলে যান। আজ ওয়েদার খুব ভাল। কাঞ্চনজঙ্ঘা পরিষ্কার দেখা যাবে।
তাই যাঁরা উল্লসিত হচ্ছেন, যাঁরা এই সুযোগে আরও একবার বামেদের গাল পেড়ে নিচ্ছেন, তাঁরা বোধ হয় তসলিমার একটি বইও পড়েননি। ধর্মীয় হিংসা ছড়ানোই যাঁদের হাতিয়ার, তসলিমাকে হজম করা তাঁদের কম্ম নয়।
উত্তম জানা কয়েক বছর আগেও যা ভাবা যেত না, আজ তা কত সহজে আয়ত্বে এসে গেছে। কোনও একটা অ্যাপে আপনি খাবারের অর্ডার দিলেন। আধ ঘণ্টার মধ্যে তা আপনার দরজায় হাজির।...
ওই সিনেমাতেও দেখেছিলাম, শেষপর্যন্ত ওই বন্ধুরাও আর ট্যুর ব্যবসা করেনি। যে যার নিজের নিজের ধান্দা খুঁজে নিয়েছিল। একটা ট্যুরেই ওরা বুঝে নিয়েছিল, এত ঝক্কি–ঝামেলা নেওয়া ওদের কম্ম নয়। আমরাও ওই একটা ছবি দেখেই বুঝলাম, নিজেরা বেড়াতে যাব, সেটাই ভাল। ট্যুর অপারেটর হওয়া আমাদের কম্ম নয়।
আইপিএল জমানায় বেড়ে ওঠা এই প্রজন্মকে বোঝানো যাবে না, সুনীল গাভাসকার ঠিক কোন জাতের ক্রিকেটার ছিলেন। তাঁরা হয়ত উইকিপিডিয়া খুলবে। দেখবে ১২৫ টেস্ট, ১০১২২ রান, ৩৪ শতরান। তারপর বলবে, দশ হাজার রান তো অনেকেরই আছে। ১২৫ টেস্ট তো অনেকেই খেলেছেন। বলেই থামবে না, দশ হাজার কতজনের আছে, সেই তালিকাও গড়গড় করে বলে যাবে। এই জন্যই নেভিল কার্ডাস নামক লোকটা স্কোরবোর্ডকে আস্ত একটা গাধা বলেছিলেন।
খুব শখ করেই পাসপোর্ট করিয়েছিলাম। যদি কোনওদিন কাজে লাগে! কালাপানি পেরোব এমন আশা করিনি। কিন্তু প্রতিবেশী দেশে তো যেতেই পারি। অন্ততপক্ষে বাংলাদেশ। না, সেখানেও যাওয়ার সৌভাগ্য এখনও অর্জন করিনি। তাই পাসপোর্ট যেমনকার তেমনই আছে। কোথাও কোনও ছাপ পড়েনি।কিছুদিন হল বিদেশ থেকে ঘুরে এসে দেশের মাটিতে পা দিয়েছি। কিন্তু অত শখ করে বানানো পাসপোর্ট কোনও কাজেই লাগলো না।