এমনিতেই কাগজ পড়ার রেওয়াজ কমছে। তার মধ্যেও যাঁরা সকালে কাগজটা হাতে নিচ্ছেন, তাঁরা কি একবারও ভেবে দেখেছএন এই বিশাল কর্মকাণ্ড মাত্র এক দেড় ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে সম্পন্ন হচ্ছে! নেপথ্যে থাকা সেই সংবাদ–সৈনিকদের কথা আড়ালেই থেকে যায়।
একবার ডিম ছোঁড়ার ভিডিও দেখলে বারেবারে সেই লিঙ্কই আসবে। কারণ, ফেসবুক বা ইউটিউব ততদিনে বুঝে নিয়েছে, আমি এই দৃশ্যই দেখতে চাই। কেউ উল্টো যুক্তি দিচ্ছে! দেশদ্রোহী বলে দাও। লোকে এটাও কিন্তু হেব্বি খাচ্ছে।
মহানায়ককে ঘিরে এমন নানা প্রশ্ন। জুলাইয়ের শেষবেলায় এসে তারই উত্তর খোঁজার চেষ্টা বেঙ্গল টাইমসে। কিছু জানা, কিছু অজানা। পুরো বইটি পড়ুন। ভাল লাগলে অন্যদের শেয়ার করতে পারেন।
রজত সেনগুপ্ত কয়েকমাস আগে গিয়েছিলাম পাহাড়ে। বছরে দুই থেকে তিনবার উত্তরবঙ্গে যাওয়াটা বহুদিনের অভ্যেস। শহর নয়, পাহাড়ি গ্রামগুলোই আরও বেশি করে টানে। গ্রামের স্নিগ্ধতা, নির্জন প্রকৃতি যেন মন ভাল করে...
এত বছরের প্রথা। স্পিকার মশাই জানেন না বলেই এই জটিলতা তৈরি হচ্ছে। আগে কীভাবে সময় বণ্টন হত, সেটা জানার চেষ্টাও করেছেন বলে মনে হয় না। এক তো মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়া হল। এতেই শেষ নয়। পরের দিন তাঁর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ মোশন আনা হল। আনলেন স্বয়ং পরিষদীয় মন্ত্রী। এবং কোনও আলোচনা ছাড়াই সেই মোশন গ্রহণ করা হল। বিধানসভাকে কোন নর্দমায় নামাতে চাইছেন?
উত্তম–সুচিত্রা। পরপর উচ্চারিত হয় নাম দুটো। প্রায় প্রবাদ হয়ে গেছে। কিন্তু একটু তলিয়ে পোস্টারগুলো দেখুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন। অধিকাংশ ছবির পোস্টারেই কিন্তু উত্তম–সুচিত্রা নয়, লেখা আছে সুচিত্রা–উত্তম। অর্থাৎ, সুচিত্রার নাম আগে। এটাই নাকি সুচিত্রার শর্ত ছিল। নীরবে মেনেই নিয়েছিলেন মহানায়ক।
সাহস করে একদিন বলেই ফেললেন। বিভূতিভূষণের কাহিনি নিয়ে নিশিপদ্ম। যেখানে নায়ক মদ্যপান করে, অবৈধ নারীসঙ্গে আসক্ত। এমন চরিত্রে উত্তম কুমার! কিছুটা সংকোচ ছিল। বলেছিলেন, তোমাকে ওই চরিত্রে ভেবেছি। তুমি কি কাজ করবে? এক কথায় রাজি হয়ে গিয়েছিলেন উত্তম। তৈরি হল নিশিপদ্ম। পরে সেই কাহিনি নিয়েই হিন্দিতে ছবি বানিয়েছিলেন শক্তি সামন্ত। ছবির নাম অমর প্রেম, নায়ক রাজেশ খান্না।
কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ?
হিন্দি ছবির দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।
বিধানসভা যেন হল্লাবাজির আখড়া না হয়ে ওঠে, সেটা দেখা সকলের কর্তব্য। এক্ষেত্রে শাসকের দায় ও দায়িত্ব সবসময়ই বেশি। নানা কারণে উল্লেখ পর্ব তার গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছিল। অবশেষে উল্লেখ পর্বের গুরুত্ব ফিরিয়ে আনার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাকে স্বাগত।