ছবির মধ্যে ছবি, তার আড়ালেই রাহুলের অমরত্ব

আর রাহুল? এখানে আবেগকে সরিয়ে রেখে তাঁকে দেখা কঠিন। বড় প্রিয় এক চরিত্র। তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত ‘‌সহজ কথা’‌ বাঙালির অনেক জটিলতাকে ঢেকে দিয়েছিল সারল্যের চাদরে। পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে বড্ড তাড়াতাড়িই যেন চলে গেলেন। কিন্তু শিল্পীর মাহাত্ম্য এখানেই, শিল্পী হারিয়ে গেলেও শিল্প থেকে যায়। রাহুলের এই কাজটাও থেকে যাবে।

ছিল বাবার গান, হয়ে গেল কিশোর কুমারের

কী আশায় বাঁধি খেলাঘর। আসলে শ্যামল মিত্রর গান। কীভাবে কিশোর কুমারের গান হয়ে গেল?‌ দেয়া নেয়া ছবিতে শ্যামল মিত্র কেনই বা প্রোডিউসার হয়েছিলেন?‌ এমন অনেক অজানা কথা সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।

‌নাইবা এল ট্রফি, তবু মহাকালের আঙিনায় নেইমার নামটা থেকে যাবে

অনেকেই তো সেমিফাইনালে তুলেছেন, ফাইনালে নিয়ে গেছেন, ট্রফিও জিতিয়েছেন। কিন্তু কালের নিয়মে হারিয়েও গেছেন। মহাকাল তাঁদের কীর্তিকে মনে রাখেনি। নেইমার অন্তত সেই তালিকায় থাকবেন না। নাইবা এল ট্রফি, নাইবা এল ব্যালন ডি’‌ওর। নাইবা এল সোনার বল বা বুট। সমকালের গণ্ডি অতিক্রম করে তিনি থেকে যাবেন। ঠিক যেমন থেকে গেছেন জিকো, সক্রেটিসের মতো কিংবদন্তিরা।

পথের বাঁক বদলে দিতে পারে বাঁকিপুর

বাঁকিপুর বিধানসভা পাটনা সাহিব লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ২০০৮ সালের সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর মূলত তৎকালীন পাটনা পশ্চিম ও পাটনা মধ্য বিধানসভার অংশ নিয়ে এই কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। সামাজিক বিন্যাসের দিক থেকে...

প্রশ্নগুলো সহজ, কিন্তু সহজ কাজটাই এতদিন বেশ কঠিন ছিল

প্রশ্নগুলো সহজ হলেও অনুচ্চারিতই থেকে যায়। কারণ, প্রশ্ন করলেই জুটে যেত দেশদ্রোহীর তকমা। বুঝিয়ে দেওয়া হত, শাসকের উত্তর দেওয়ার কোনও দায় নেই। বরং সে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেয়। পাল্টা তকমা লাগিয়ে দেয়।

আর্জেটিনার কাছে শিল্পই চাই, গুন্ডামি নয়

কথায় আছে, স্বধর্মে নিধনং শ্রেয়, পরোধর্ম ভয়াবহ। লিওনেল স্কালোনি যদি এই সার কথাটা বুঝতেন!‌ আর্জেন্টিনার কাছ থেকে শিল্পই দেখতে চাই, গুন্ডামি নয়। তাই এই আর্জেন্টিনা ট্রফি না পাওয়ায় সত্যিই কোনও দুঃখ নেই।

তসলিমা আসলে কাদের বিরুদ্ধে বলে গেলেন!‌

উনিশ বছর পর তিনি বাংলায়। আবেগ ছিল। চাপা কান্না ছিল। নির্বাসিত থাকার যন্ত্রণা ছিল। উদ্বেগ ছিল। কলকাতা তাঁর সেই পবিত্র অনুভূতির শরিক হয়েছে। মুক্তচিন্তার মানুষেরা মুক্তকণ্ঠে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু যেটা বলে গেলেন, ঠিকঠাক মানে বুঝলে সরকারপক্ষের খুব একটা উল্লসিত হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তাঁরা যে মর্মার্থ বুঝবেন, তাঁদের চেতনার ওপর এতখানি আস্থা রাখা কঠিন।

ক্ষমা করতে হবে না, চুপি চুপি বরং ক্ষমা চেয়ে নিন

কেউ তো আপনার কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই অযাচিত ‘‌ক্ষমা করে’‌ মহান হওয়ার দরকার নেই। বরং, নিজের ভাষণ মন দিয়ে শুনুন। কথায় কথায় পণ্ডিত হেররু ও অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের কী ভাষায় আক্রমণ করেছেন, নিজেই শুনুন। তারপর মনে মনে ক্ষমা চেয়ে নিন।

ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

শুশুনিয়ায় জল ভরে এক্তেশ্বরের মন্দিরে ঢালতে যাওয়ার কথা। শুশুনিয়া থেকে ফেরার পথে একসঙ্গে জনা দশেক বন্ধু। তখন ভোলেবাবা মানে, অনেক নিষিদ্ধ কৌতূহলের হাতছানি। অনেকের সিগারেট খাওয়ার হাতেখড়ি হয় এই ভোলেবাবাতেই। সেবার কয়েকজনের ইচ্ছে হল, একটু গঞ্জিকা (গাঁজা) সেবনের। গন্ধেশ্বরীর পাড়ে এসে কয়েকজন বসে পড়লাম। এক বন্ধুর অভ্যেস ছিল। সে দিব্যি টান মেরে গেল।

এমন এক্সক্লুসিভ ছবি আর হল কই!‌

মারাদোনা সরল মনে সেই নামাবলি পরেও নিলেন। ছবি উঠল। সেই ছবি থেকে গেল ইতিহাস হয়ে। ছবিটা যেমন থেকে গেল, তেমনই অমরত্ব পেয়ে গেলেন অমিয় তরফদারও। আজ বিশ্বকাপের আঙিনায় এত রিপোর্টার, এত ফটোগ্রাফার। কিন্তু এমন এক্সক্লুসিভ ছবি আর হল কই!‌