মহা ব্রিগেডের পরেও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সংশয় থাকবেই

ব্রিগেডে যত বড় জমায়েতই হোক, বিজেপির বিরুদ্ধে যত হুঙ্কারই শোনা যাক, কিন্তু এদের বিশ্বাসযোগ্যতা কতটা?‌ বিজেপি ২০০–‌র কাছাকাছি গেলে এদেরই অনেকে সেই শিবিরে ঠাঁই পাওয়ার জন্য লাইন দেবে। এমনকী যিনি সভার উদ্যোক্তা, তিনিও হয়ত অক্সিজেন দেওয়ার কাজটাই করবেন। লিখেছেন রাতুল পাত্র।

সংরক্ষণের সস্তা হাততালি থেকে এদেশের মুক্তি নেই

সংরক্ষণে কি দেশের গৌরব বাড়ে?‌ যত সংরক্ষণ, তত বেশি পিছিয়ে থাকা। এই সহজ সত্যিটা কোনও দলই বুঝতে চাইছে না। বিজেপি সংরক্ষণের তাস ফেলতে চাইল। সায় দিয়ে ফেলল তামাম বিরোধীরাও!‌ ভোট বড় বালাই। এ দেশটা আর সাবালক হল না। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

রেলের আজগুবি নিয়ম, সুপার ফ্লপ হওয়া সময়ের অপেক্ষা

রেলে নাকি বিমানের মতো নিরাপত্তা দেওয়া হবে। অন্তত কুড়ি মিনিট আগে স্টেশনে যেতে হবে। কুড়ি মিনিট কেন, দু’‌ঘণ্টাতেও পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। নিরাপত্তার কড়াকড়িতে যাঁরা ট্রেন মিস করবেন, তাঁদের বিক্ষোভ রেল সামলাতে পারবে তো?‌ ভাঙচুর অনিবার্য। এই নিয়ম বাধ্য হয়েই ফিরিয়ে নিতে হবে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

ধন্যবাদ রাহুল, একধাক্কায় সাবালক করে দিলেন গণতন্ত্রকে

এক সময় সবাই বুঝতে পারবেন, ছবিটি কারা বানিয়েছেন, কী উদ্দেশে বানিয়েছেন। তাই অযথা পাবলিসিটি দেওয়ার মানেই হয় না। কোনও প্ররোচনায় পা দেওয়া নয়। উপেক্ষাই সেরা রাস্তা। এই সার সত্যিটা দ্রুত বুঝতে পেরেছেন রাহুল গান্ধী। বোঝালেন, তিনি অন্তত প্রধানমন্ত্রীর থেকে অনেক বেশি দায়িত্বশীল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

উপেক্ষা দিয়েই স্বাগত জানানো হোক ‘‌দ্য অ্যাক্সিডেটাল প্রাইম মিনিস্টার’‌কে

ছবির নাম ‘‌দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার।’‌ ছবির চিত্রনাট্য কেমন, আগাম বলে দেওয়া যায়। মনমোহন কতটা অক্ষম–‌অযোগ্য, গান্ধী পরিবার কীভাবে ছড়ি ঘোরাতো। অর্থাৎ, মোদিবাবু বুক ফুলিয়ে যা যা বলে থাকেন। ভোটের আগে এমন একটি ছবিকে বাজারে আনতে হল। উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার। লিখেছেন ধীমান সাহা।

‌নানা সমীকরণ, নানা ধোঁয়াশা, জটিলতা বাড়ছে

তিন রাজ্যে যতই কংগ্রেসের জয় আসুক, জোট নিয়ে নানা জটিলতা থেকেই যাবে। আঞ্চলিক দলগুলি কোনদিকে যাবে, কোন রাজ্যে কার সঙ্গে জোট হবে, এখনও পরিষ্কার নয়। কেউ কেউ একাই লড়বে, পরে পরিস্থিতি বুঝে অবস্থান নেবে। তাই আঞ্চলিক দলগুলি বড় ভূমিকা নিতেই পারে। লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।

একটি মুদ্রা ও মুদ্রাদোষ

একদিকে মুদ্রা। অন্যদিকে মুদ্রাদোষ। বাজপেয়ীর নামাঙ্কিত মুদ্রা। কিন্তু তা প্রকাশ করতে গিয়ে সরকারি অনুষ্ঠানে কার্যত বাজপেয়ীকেই ছোট করলেন। কোথায় কোনটা বলতে হয়, কোথায় কোনটা বলতে এই, এই ন্যূনতম শিক্ষাটুকুও যদি প্রধানমন্ত্রীর না থাকে, তাহলে সত্যিই বড় মুশকিল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

যুদ্ধের হাওয়া তোলা ছাড়া উপায় নেই

যত দিন যাবে, বিজেপির জনপ্রিয়তার গ্রাফটা ততই নেমে আসবে। তিন রাজ্যের এই পরাজয় অন্যান্য রাজ্যেও বিরোধীদের পালে হাওয়া তুলবে। সব ব্যর্থতাকে আড়াল করতে তখন হয়ত সার্জিকাল স্ট্রাইক বা যুদ্ধকেই ঢাল বানাতে হবে। আলোচনার সুরকে ঘুরিয়ে দেওয়ার এছাড়া কোনও রাস্তা নেই। লিখেছেন ধীমান সাহা।

এই রায় তৃণমূলের কাছে যেন অশনি সংকেত

তিন বড় রাজ্যেই ক্ষমতায় আসতে চলেছে কংগ্রেস। জাতীয় ক্ষেত্রে বিজেপি যেমন কোণঠাসা হচ্ছে, ঠিক তেমনি এই ফল তৃণমূলের কাছেও অশনি সংকেত। কারণ, জাতীয় রাজনীতিতে তাদের গুরুত্ব অনেকটাই কমে গেল। ঠিক তেমনি এই রাজ্যেও তৃণমূলের কাছে অশনি সংকেত। বিশ্লেষণ করলেন রক্তিম মিত্র।

এগজিট পোল বুঝিয়ে দিল, হাওয়া কিন্তু ঘুরছে

এগজিট পোলে যা দেখানো হয়েছে, তার থেকেও খারাপ অবস্থা হবে বিজেপির। বলাই যায়, হাওয়া ঘুরছে। সেই হাওয়া ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য রাজ্যেও। একদিকে বিজেপির নেতৃত্বে কিছু ছোট দল। অন্যদিকে, কংগ্রেসকে সামনে রেখে আরও কিছু আঞ্চলিক দল। আগামী কয়েক মাস এমন ছবিটাই দেখা যাবে। ক্রমশ অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে ফেডারেল ফ্রন্ট।