মুলায়ম, আর নিজেকে নেতাজি বলবেন না

আশি বছরে পা দিলেন মুলায়ম সিং যাদব। এখন সেই দাপট আর নেই। তবু এখনও অনেকে তাঁকে ‘‌নেতাজি’‌ বলেই ডাকেন। মুলায়ম, এবার অন্তত অনুগামীদের বারণ করুন। বলুন, এই দেশে নেতাজি একজনই, আমাকে নেতাজি বলে ডাকবেন না। জন্মদিনে শুভেচ্ছার পাশাপাশি এই ছোট্ট দাবিটুকুও থাকল।

অহেতুক জটিলতা বাড়াচ্ছে রেল

নতুন চেহারায় আইআরসিটিসি। একগুচ্ছ নতুন পরিষেবা। আর এসবের ভীড়ে টিকিট কাটা বেশ ভোগান্তির ব্যাপার। সংস্কারের নামে অহেতুক জটিলতা বাড়াচ্ছে রেল। আইআরসিটিসি–‌কে ফিরিয়ে দেওয়া হোক আগের চেহারায়। লিখেছেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।

ত্রিপুরাতেও অনুপ্রেরণা–‌র হাওয়া বইছে!‌

বাংলায় ভোট হয়নি ৩৪ শতাংশ আসনে। আর ত্রিপুরায় ভোট হল না ৯৮ শতাংশ আসনে। ক্ষমতায় এসে সাত বছরের তৃণমূল যে কীর্তি দেখিয়েছে, সাত মাসের বিজেপি তাকে ছাপিয়ে গেল। বোঝা যাচ্ছে, উন্নয়নের হাওয়া ত্রিপুরাতেও বইছে। লিখেছেন সুরঞ্জন মিত্র।।

বাজপেয়ীর পরামর্শ মানার সদিচ্ছা আছে?‌

মুখে বলছেন, বাজপেয়ী তাঁর আদর্শ। কিন্তু বাজপেয়ীর আদর্শ মেনে চলার সদিচ্ছা কি সত্যিই প্রধানমন্ত্রীর আছে?‌ অন্তত তাঁর কাজকর্ম বা আস্ফালন তেমনটা বলছে না। তবে কি ফের ভোট যুদ্ধে বাজপেয়ীকে কাজে লাগানোর চেষ্টা?‌ লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

এত তাড়াহুড়ো কীসের? আরেকটু ধৈর্য রাখা গেল না!

মৃত্যু এখন রীতিমতো ইভেন্ট। তাই আর মৃত্যু পর্যন্ত তর সয় না চ্যানেলগুলির। সকাল থেকেই স্টুডিও–তে শুরু হয়ে গেল স্মৃতিচারণ পর্ব। সন্ধে পর্যন্ত আর অপেক্ষা করা গেল না। বাজপেয়ী জানতেন, সংযম কাকে বলে। কিন্তু তাঁর মৃত্যুতে মিডিয়া দেখিয়ে দিল, সংযম–শিষ্টাচার কীভাবে বিসর্জন দিতে হয়। লিখেছেন অজয় কুমার।।

সম্পর্ক যদি এতই ভাল, এনডিএ ছাড়তে হয়েছিল কেন?

বাজপেয়ীর সঙ্গে কার কেমন সম্পর্ক ছিল, তা নিয়ে যে যা পারছেন, বলে যাচ্ছেন। তিনি নাকি সবার ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তবু কেউ কেউ তাঁর সরকার থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছিলেন। এতই যদি ভাল সম্পর্ক, তাহলে সরকার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হল কেন ? লিখেছেন প্রসেনজিৎ বর্মণ।

এই ভাষণ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ নয়

লালকেল্লার মঞ্চ বিরোধীদের আক্রমণের জায়গা নয়। এই সহজ শিক্ষাটাই এখনও আয়ত্ব করতে পারেননি। সারাক্ষণ শুধু নিজেই নিজের ঢাক পিটিয়ে গেলেন। এর আগেও তো অনেক প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন। অন্য দলের প্রধানমন্ত্রীদের কথা ছেড়ে দিন, নিজের দলের অটল বিহারী বাজপেয়ীর ভাষণ শুনুন। তাহলেই তফাতটা বুঝতে পারবেন। লিখেছেন বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অনাস্থা জয়েও সংবর্ধনা!‌

এই অনাস্থা ভোটে সরকার পড়বে না, সেটা সবাই জানত। সেই ভোটে জেতার পরে নিজে নিজেই সংবর্ধনা নিলেন প্রধানমন্ত্রী। আদবানি থেকে রাজনাথ, অমিশ শাহ থেকে সুষমা–‌সবাই তাঁকে মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। এমন একটা ছবিই ভারতীয় রাজনীতির চালচিত্রটা বুঝিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

লোকসভার মান এত নেমে গেছে!‌

লোকসভায় বিতর্কের মান এতটাই নেমে গেছে, মনে হচ্ছে, এমন যুক্তি তো চায়ের দোকানেই শোনা যায়। বরং চায়ের দোকানে যে ছোকরাগুলো আড্ডা মারে, তাদের পড়াশোনা, তাদের যুক্তি এদের থেকে ঢের ভাল। লিখেছেন নির্মল দত্ত।।

নিজের রান্নায় নিজেই যেন জল ঢেলে দিলেন রাহুল

কাউকে শ্রদ্ধা যদি করতে হয়, তবে তা যেন আন্তরিক হয়। একবার শ্রদ্ধা জানালাম, পরক্ষণেই চোখ টিপে কটাক্ষ করলাম, তাহলে শ্রদ্ধাটা মূল্যহীন হয়ে পড়ে। এমন চমৎকার একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, নিজেই যেন তাতে জল ঢেলে দিলেন। লিখেছেন সঞ্জয় পাত্র।।