পাঁচিল টপকে ঢোকা খুব জরুরি ছিল!‌

দেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর আত্মগোপন করে থাকা মানায়!‌ নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগকে নিজেই তো জোরালো করে তুললেন। নিজেদের আরও হাস্যকর করে তুলল সিবিআই। তিনি যখন বাড়িতে ফিরেই এসেছেন, তখন একটু অপেক্ষা করা যেত না!‌ পাঁচিল টপকে তাঁর বাড়িতে ঢুকতে হল!‌ এমন নিচুস্তরের অসভ্যতা দেখানোর কোনও দরকার ছিল!‌ লিখেছেন সঞ্জয় সেন।

সংবিধান বদলে দিলেই শান্তি ফিরবে তো!

নোটবন্দির সময় বলা হয়েছিল, এর ফলে সব কালো টাকা বাজেয়াপ্ত হবে। সীমান্তে সন্ত্রাস নির্মূল হবে। অথচ, ভোটে নোটবন্দিকে নিজেরাই প্রচারে আনল না। এবার নতুন তাস। আসলে, উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করার মতো পারফরম্যান্স নেই। তাই কাশ্মীর, হিন্দু, পাকিস্তান— এসব জিগির তোলা ছাড়া উপায়ও নেই। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাজ কী, বুঝিয়ে এলেন ঝর্না দাস

লাল সেলাম ঝর্না দাস। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্বটা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। দল আর প্রশাসন যে আলাদা বিষয়, দুইয়ের মধ্যে যে একটা লক্ষ্মণরেখা থাকে, এই সহজ সহবৎ শিক্ষাটাই ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। কোনটা দলীয় সভায় বলতে হয়, কোনটা বিধানসভা বা সংসদে বলতে নেই, এই বোধগুলোই ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ, এই ঝর্না দাসেরাই পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্বটা ভাল করে বুঝিয়ে দিতে।

‌সভাপতি বেছে নিতে এত সময় লাগছে কেন?‌

সুমিত চক্রবর্তী নির্বাচনের পর থেকেই সরে দাঁড়াতে চাইছেন রাহুল গান্ধী। পরাজয়ের দায় নিয়ে সরে যাওয়া নতুন কিছু নয়। আবার পরাজয় সত্ত্বেও গদি আঁকড়ে পড়ে থাকার নজিরও কম নেই। রাহুল যে...

বিশ্বকাপের পরই বিজেপিতে ধোনি!‌

বিশ্বকাপের পর তাঁর অবসর নিশ্চিত। তারপরই নাকি নতুন ইনিংস শুরু করবেন ধোনি। যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে। তাঁকে সামনে রেখেই ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় লড়াই করতে চায় বিজেপি। সেক্ষেত্রে এক বছরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও হয়ে যেতে পারেন।

স্পিকারের চেয়ারেও সেই রাবার স্ট্যাম্প!‌

কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা স্পিকারের চেয়ারের মর্যাদা বোঝেন। বিজেপিতেই এমন অন্তত কুড়ি জন সাংসদ ছিলেন, যাঁরা যোগ্য স্পিকার হতে পারতেন। তার বদলে এমন আনকোরা স্পিকার আনা হল কেন?‌ এই পদটাকেও রাবার স্ট্যাম্প বানাতেই হবে?‌ ওম বাজাজের নাম কেবলমাত্র জেনারেল নলেজের বই বা সংসের ওয়েবসাইটেই থাকবে। মানুষের মনে কোনও ছাপ ফেলতে পারবেন না।

বোঝা গেল, হল্লাবাজদের হাতেই থাকবে সংসদ

কেউ জয় শ্রীরাম করলেন। কেউ জয় হিন্দ বলে গেলেন। কেউ মা কালীর মন্ত্র আউড়ে গেলেন। কেউ জয় মমতা বলে চিৎকার করলেন। কেউ মা মাটি মানুষ বলে হুঙ্কার ছাড়লেন। কেউ শপথ নিতে গিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুরু করে দিলেন। একেক জন ভাবলেন, তাঁরা হয়ত দারুণ কোনও কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছেন। গোটা দেশের কাছে বাংলাকে কতখানি হাসির খোরাক করে তুললেন, তাঁ এঁরা কেউ ভেবেও দেখলেন না।

কে শক্তিমান, কে দুর্বল, আবার ভাবুন

মনমোহন ‘‌দুর্বল’ ছিলেন। কিন্তু বাংলায় সব বুথে বাহিনীর ব্যবস্থা করতে পেরেছিলেন। শান্তিতে ভোট করাতে পেরেছিলেন। ছাপ্পা রুখতে পেরেছিলেন।‌ আর একজন প্রবল প্রতাপশালী। কিন্তু তিনি না পারলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবস্থা করতে। না পারলেন ছাপ্পা ঠেকাতে। চিটফান্ড নিয়ে এত গলা ফাটালেন। কিন্তু পাঁচ বছরে সিবিআই নামক বস্তুটিকে কার্যত ঘুম পাড়িয়েই রাখলেন। তাহলে, শক্তিশালী কে, আর দুর্বল কে?‌ আরও একবার ঠান্ডা মাথায় ভাবুন। লিখেছেন ধীমান সাহা।

পাঁচ বছরে যেগুলো সহজেই শেখা যেত

এই পাঁচ বছরে নরেন্দ্র মোদি নাকি অনেক কিছুই শিখলেন। লোকসভায় শেষ ভাষণে এরকম একটা বাক্যের পর মনে হয়েছিল, কিছু ইতিবাচক কথাই বলবেন। কিন্তু দেখা গেল, বিদায়ী ভাষণেও তিনি একইরকম আছেন। অন্যকে কথায় কথায় খোঁচা দেওয়ার স্বভাবটা একেবারেই গেল না। টার্গেট সেই রাহুল। বোঝাই গেল, এই পাঁচ বছরে অনেক কিছুই তাঁর না শেখাই থেকে গেল।

শুধু তদন্ত নয়, সময়ও বেঁধে দেওয়া হোক

শুধু সিবিআই তদন্তই যথেষ্ট নয়। সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হোক। নইলে ভরা গ্রীষ্মেও সিবিআই আবার শীতঘুম দেবে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।