ছবির নাম ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার।’ ছবির চিত্রনাট্য কেমন, আগাম বলে দেওয়া যায়। মনমোহন কতটা অক্ষম–অযোগ্য, গান্ধী পরিবার কীভাবে ছড়ি ঘোরাতো। অর্থাৎ, মোদিবাবু বুক ফুলিয়ে যা যা বলে থাকেন। ভোটের আগে এমন একটি ছবিকে বাজারে আনতে হল। উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার। লিখেছেন ধীমান সাহা।
বই পড়ার অভ্যেস ক্রমশ কমে আসছে। মানুষের সময় যেমন কমে আসছে, তেমনই ধৈর্যও কমে আসছে। বাংলা সাহিত্য কি তাহলে একটু একটু করে হারিয়ে যাবে? পরের প্রজন্ম কি বই পড়াই ছেড়ে দেবে? লাইব্রেরিগুলো কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে? প্রকাশনা সংস্থাগুলো কি ক্রমশ ধুঁকতে থাকবে? এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।
তার আগে বার তিনেক দার্জিলিংয়ে গিয়েছি। কিন্তু সত্যি বলছি, ক্যাভেন্টার্সের কথা তার আগে কেউ বলেনি। তাই যাওয়াও হয়নি। সেখানে কার পা পড়েনি? সত্যজিৎ রায় থেকে ঋত্বিক ঘটক। অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খান্না। এডমন্ড হিলারি থেকে তেনজিং নোরগে। এতলোক যখন গিয়েছেন, তখন নিশ্চয় দামও আকাশছোঁয়া হবে। সে এক পাঁচতারা এলাহি ব্যবস্থা হবে। ভয়মিশ্রিত একটা রোমাঞ্চ নিয়েই গিয়েছিলাম।
তিন রাজ্যে যতই কংগ্রেসের জয় আসুক, জোট নিয়ে নানা জটিলতা থেকেই যাবে। আঞ্চলিক দলগুলি কোনদিকে যাবে, কোন রাজ্যে কার সঙ্গে জোট হবে, এখনও পরিষ্কার নয়। কেউ কেউ একাই লড়বে, পরে পরিস্থিতি বুঝে অবস্থান নেবে। তাই আঞ্চলিক দলগুলি বড় ভূমিকা নিতেই পারে। লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।