মনোজ, কথা নয়, ব্যাটে মন দিন

যেই ডাবল সেঞ্চুরি করলেন, অমনি শত্রু খুঁজতে বেরিয়ে পড়লেন মনোজ তেওয়ারি। বুঝিয়ে দিলেন, ক্রিকেটে মন ছিল না, কে কী বলেছে, সে ব্যাপারেই যেন বেশি চিন্তিত ছিলেন। সমালোচকদের মুখে কাল্পনিক সংলাপও বসিয়ে দিলেন। ডাবল সেঞ্চুরি যেন গায়ের ঝাল মেটানোর হাতিয়ার। ব্যাটসম্যান মনোজ নিজেকে প্রমাণ করলেন, অধিনায়ক মনোজ ফের একধাপ নেমে গেলেন। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী। ‌

অধীর চোধুরিকে খোলা চিঠি

যত দিন যাবে, কংগ্রেসের মমতা–‌নির্ভরতা বাড়বে। রাহুল–‌সোনিয়া মমতাকে চটাবেন না। বিজেপি ছাড়া কোথায় বা যাবেন!‌ কিন্তু গিয়ে দেখবেন, মোদিবাবুরাও মমতার জন্য দরজা খুলেই রেখেছেন। তাঁরাও মমতাকে চটাতে চাইবেন না। সারদা–‌নারদা এসব তদন্তের গতি দেখেও বুঝতে পারছেন না?‌ মোহভঙ্গ হতে সময় লাগবে না। অধীর চৌধুরিকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

সেই দিন খুব দূরে নেই, নীতীশবাবু

মাত্র কয়েক মাসেই ছবিটা কেমন বদলে যাচ্ছে। নীতীশ কুমার কেমন হারিয়ে যাচ্ছেন। বিহারেই তিনি হয়ত হয়ে উঠবেন তৃতীয় শক্তি। আস্তে আস্তে বুঝবেন, বিজেপি কতটা বন্ধু। বুঝবেন, জেলে থাকা লালুও কেন এখনও এত জনপ্রিয়। লিখেছেন সুরঞ্জন ভদ্র।।

অন্য পথ, অন্য পাঁচালি

আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।

খোলা চিঠি, প্রতিদিন

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ— খোলা চিঠি। ‌রাজনীতি, খেলা, সাহিত্য, সিনেমা, ভ্রমণ সহ নানা বিভাগ উঠে এসেছে এই চিঠিপত্রের মাধ্যমে।
কোনও নানা জগতের দিকপালদের চিঠি। কখনও অন্য কাউকে চিঠি, যার মধ্যে দিয়ে নিজের অনুভূতিকে মেলে ধরা।

আপনি আর যাই হোন, মীরা পাণ্ডে নন

রাজ্য সরকার জেনে বুঝেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনার বানিয়েছে। আপনি আর যাই হোন, মীরা পাণ্ডে নন। শাসক দল যা চাইবে, আপনাকে তাই তাই করতে হবে। মন্ত্রীরা এসে শাসিয়ে যাচ্ছেন। আরও কতবার শাসাবেন, তার ঠিক নেই। আপনি বড়জোর আরেকজন সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় হতে পারেন। নির্বাচন কমিশনারকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

দেব, আপনার প্রতি শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে গেল

বড় বড় প্রযোজক সংস্থাগুলি যখন হাত গুটিয়ে রইল, তখন আপনি এগিয়ে এলেন। এই ছবি হয়ত বাণিজ্যিকভাবে সফল নাও হতে পারে। অনেক ক্ষতির আশঙ্কা। তা সত্ত্বেও আপনি এগিয়ে এলেন। আপনার প্রতি গর্ব অনেকটাই বেড়ে গেল। দেবকে খোলা চিঠি। লিখলেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।

ভারতী, এমনটাই তো হওয়ার ছিল

বিমল গুরুংয়ের মতোই হয়েছে তাঁর অবস্থা। অডিও বার্তা পাঠিয়ে যাচ্ছেন। কেউ পাত্তাও দিচ্ছে না। মিডিয়াতেও জায়গা হচ্ছে না। যা যা হচ্ছে, তিনিও তো এমনটাই করেছেন। তাই ভারতী ঘোষের এই আচরণই প্রাপ্য ছিল। লিখেছেন শতদল ভদ্র।।

স্পিকার স্যার, এই অনাস্থা মানছি না, মানব না

বিধানসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থার নোটিশ। আলোচনা হবে কিনা, ঠিক নেই। তার আগেই বেঙ্গল টাইমসে আলোচনা শুরু। স্পিকারের পাশে দাঁড়িয়ে বিতর্ক শুরু করে দিলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বিমল গুরুংকে খোলা চিঠি

আপনি বুঝেছেন। ভারতী ঘোষ বুঝেছেন। একদিন বিনয় তামাংরাও বুঝবেন। আপাতত সেই অপেক্ষায় থাকা ছাড়া উপায় কী?‌ টিভিতে চোখ রাখুন। পাহাড়ে ‘‌উন্নয়ন’‌ আর ‘‌অনুপ্রেরণা’‌র লাইভ টেলিকাস্ট দেখুন। বিমল গুরুংকে খোলা চিঠি। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।