বিমল গুরুংকে খোলা চিঠি

আপনি বুঝেছেন। ভারতী ঘোষ বুঝেছেন। একদিন বিনয় তামাংরাও বুঝবেন। আপাতত সেই অপেক্ষায় থাকা ছাড়া উপায় কী?‌ টিভিতে চোখ রাখুন। পাহাড়ে ‘‌উন্নয়ন’‌ আর ‘‌অনুপ্রেরণা’‌র লাইভ টেলিকাস্ট দেখুন। বিমল গুরুংকে খোলা চিঠি। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

বামেদের গালাগাল দেওয়া এখন খুব সহজ

কোনও একদিন একটা ভোটে কোনও একটা বুথের পোলিং এজেন্ট হয়ে কয়েক ঘন্টা পার করে দেখান। কোনও একদিন কোনও একটা ভোটের আগের দিন রাতের বেলা বুথ পাহারা দিন কমরেডদের সঙ্গে। কোনও একদিন কোনও একটা ভোটের আগের দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুথ স্লিপ বিলি করে আসুন.., সেদিন আপনার “দম” বুঝব। লিখেছেন সৌম্য সিনহা।

সোনি, প্লিজ মাঠে অন্তত আসুন

খেলবেন না, কিন্তু ডার্বিতে মাঠে আসুন। মোহন–‌জনতা কতটা ভালবাসে, যাওয়ার আগে দেখে যাবেন না!‌ ডার্বির আগে সোনি নর্ডিকে খোলা চিঠি। লিখলেন সোহম সেন।

হ্যাঁ ভারতী, এটাই প্রাপ্য ছিল

শেষবেলায় যে পরিণতিটা আপনার সঙ্গে হয়েছে, এটাই আপনার প্রাপ্য ছিল। তবে চাকরি ছাড়ার যে সাহসটা দেখিয়েছেন, তার জন্য একটা কুর্নিশ অবশ্যই প্রাপ্য। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।

এটা আপনার দেশ নয়!‌

এই দেশে তাঁর পঞ্চাশ বছর হয়ে গেল। তবু শুনতে হয় বিদেশিনী!‌ চাইলেই দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হতে পারতেন। হেলায় ফিরিয়ে দিয়েছেন। এই আত্মত্যাগকে আমরা কজন মনে রেখেছি?‌ সোনিয়া গান্ধীর জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বিজেপিতে গেলেও মোহভঙ্গ হতে সময় লাগবে না

অধীর বিজেপিতে যাবেন?‌ এখনই তেমন সম্ভাবনা নেই। উপনির্বাচনে ফের জিতে আসা বেশ কঠিন। আর একবার হারলে হয়ত চিরতরেই হারিয়ে যাবেন। যদি আগামী দিনে যান, মোহভঙ্গ হতেও সময় লাগবে না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

বিমল গুরুং বলছি

‌পাহাড়ের গোপন ডেরা থেকে হুঙ্কার ছেড়েই চলেছেন বিমল গুরুং। ধরা যাক, তিনি বিনয় তামাংকে বার্তা দিতে চান। চিঠি লিখতে চান। কী লিখতেন সেই চিঠিতে। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে। বিমলের বয়ানে সেই চিঠিই লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

সপ্তপদীর সেই গানটা —

মাত্র তিনদিনের সফর। পাহাড়ের বাঁকে অজানা মেঘের মিছিল। একইসঙ্গে চিঠি ও দিনলিপি। নানা মুহূর্ত, নানা অনুভূতি। সেই কোলাজ। বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।।

শুনুন ধর্মাবতার

কাল একুশে জুলাই। এই একুশে জুলাই কাণ্ড নিয়ে একটি কমিশন হয়েছিল। আড়াই বছর আগে এই কমিশন ঠিক কী বলেছিল?‌ তাই নিয়ে আড়াই বছর আগে বেঙ্গল টাইমসে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। শিরোনাম:‌ শুনুন ধর্মাবতার। পুরনো সেই লেখা ফের পড়ে দেখতে পারেন।