সন্ত্রাস কাকে বলে, এবার বুঝলেন!

সেই সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায়কে মনে আছে?‌ ঠিক ধরেছেন, আগের পুরভোটে তিনিই ছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। প্রথমে বলেছিলেন, কোথাও সন্ত্রাস হয়নি। পরে সন্ত্রাস কাকে বলে, নিজে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন। সেই সময় তাঁকে লেখা একটি খোলা চিঠি। পঞ্চায়েত ভোটের এই আবহে তুলে আনা হল বেঙ্গল টাইমসে।

আপনি আর যাই হোন, মীরা পাণ্ডে নন

রাজ্য সরকার জেনে বুঝেই আপনাকে নির্বাচন কমিশনার বানিয়েছে। আপনি আর যাই হোন, মীরা পাণ্ডে নন। শাসক দল যা চাইবে, আপনাকে তাই তাই করতে হবে। মন্ত্রীরা এসে শাসিয়ে যাচ্ছেন। আরও কতবার শাসাবেন, তার ঠিক নেই। আপনি বড়জোর আরেকজন সুশান্তরঞ্জন উপাধ্যায় হতে পারেন। নির্বাচন কমিশনারকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

ফুল পাঠানোর যোগ্যতা অর্জন করুন

বাসুদেব আচারিয়া কে, সেটা স্বপন বেলথরিয়ার মতো মাফিয়ার জানার কথা নয়। কারা এই জঘন্য কাজ ঘটালো, সেটা কারও অজানা নয়। সদিচ্ছা থাকলে আগে সেই লোকগুলোকে গ্রেপ্তার করা হোক, দল থেকে বহিষ্কার করা হোক, তারপর না হয় ফুল পাঠানোর নাটক করবেন। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

‌ঘরে বসেই হানিমুন দেখুন

এক, রঞ্জিত মল্লিকের কামব্যাক। দুই, লোকেশানে ফের ডুয়ার্স। অন্তত এই দুটো আকর্ষণে ছবিটা দেখতেই পারেন। হলে দেখা হয়নি, ঘরে বসেই ছুটির দিনে দেখে নিন।

ছাত্রদের আত্মহনন:‌ এক সামাজিক সমস্যা

আজকের এই বাজার সংস্কৃতিতে নিজেকে মেলে ধরার প্রবণতা যে পরিমাণ বেড়েছে তাতে আত্মপ্রচার এখন সর্বজনবিদিত, যে পিছিয়ে যাবে সে–‌ই মার খাবে। শহুরে সভ্যতার এটাই মূল শিক্ষা। আধা গ্রামীণ বা মফস্বল সভ্যতায় কোথাও যেন একটা টান আছে এখনও। তফাত আসে তাতেই। ধাক্কা খাওয়া আসে তাতেই। বিশ্লেষণ করেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।।

মহেশতলায় প্রার্থী হতে পারেন দুলাল দাস

যদিও মেয়র শোভন চান না শ্বশুরকে ওই আসনে প্রার্থী করা হোক। কিন্তু এক্ষেত্রে তাঁর আপত্তিকে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হবে না। দুলাল দাসের স্থানীয় প্রভাব আছে। বিত্তশালী মানুষ। অন্য কাউকে টিকিট দিলে তিনি সাবোতাজও করতে পারেন। তাই সবকিছু মাথায় রেখে তাঁকেই প্রার্থী করা হতে পারে।