সুবর্ণরেখার তীরে, সেই দোবরু পান্না
হঠাৎ দেখা হয়ে গেল এক আদিবাসী কাকার সঙ্গে। যেন আরণ্যকের সেই দোবরু পান্না। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল সেই মানুষটির কথা।
হঠাৎ দেখা হয়ে গেল এক আদিবাসী কাকার সঙ্গে। যেন আরণ্যকের সেই দোবরু পান্না। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল সেই মানুষটির কথা।
অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।
কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।
এতবছর পর শুনতে কিছুটা অবিশ্বাস্য মনে হবে। কিন্তু এটা ঘটনা, সেই সময় দিব্যা ভারতীর শোকেই অনেকগুলো দিন পেরিয়ে গিয়েছিল। মাধ্যমিকের পর যা যা করব বলে ভেবেছিলাম, তার অনেকগুলোই করা হয়নি। দেখতে দেখতে কেমন পঁচিশ বছর পেরিয়ে গেল। অথচ, মনে হয়, এই তো সেদিন।
ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে দূরে থাকুন। খারাপ স্মৃতি তো সবারই থাকে। সেই কাদা ঘেঁটে, অন্যকে দোষারোপ করে লাভ কী? আমরা না হয় ভাল স্মৃতিগুলোকে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। বেঙ্গল টাইমসের পাতায় সেই সুখস্মৃতি ভিড় করুক।
শেষের কবিতার শহর শিলঙ থেকে কবিতার শহর কলকাতা। অ্যালবামে জমে থাকা ছবি। ধূসর স্মৃতি। সবমিলিয়ে মন কেমন করা আলতো ছোঁয়া। উঠে এল অনবদ্য একটি গল্পে।
স্মৃতিটুকু থাক। পাঠকের মুক্তমঞ্চ। এবার উঠে এলেন মান্না দে। তাঁর গান বাজলেই একজনের মুখ ভেসে ওঠে। কীভাবে একটি পরিবারে ঢুকে পড়লেন মান্না দে। সেই কথাই উঠে এল স্মৃতির সরণিতে।
১৩ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব বেতার দিবস। অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে কাঠের বাক্সের সেই রেডিও। এখন রেডিওতে মন কী বাত হয়। কিন্তু সেই ফেলে আসা রেডিওকে নিয়ে আমাদের মনের কথাটা ঠিক কী? নস্টালজিয়ায় মোড়া দারুণ এক লেখা উপহার দিলেন সন্দীপ লায়েক।
২৬ জানুয়ারি মানেই বেজে উঠবে সেই গান। আমাদের পাড়ায়, আমাদের হৃদয়ে সেই একই গানের অনুরণন। সেই গান নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল ৫৬ বছর। সেই গানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
১৯ জানুয়ারি ছিল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ৮৪ তম জন্মদিন। অ্যাকাডেমিতে মনোজ্ঞ এক অনুষ্ঠান। সৌমিত্রর মেয়ে পৌলমী তখন একেবারেই ছোট। আউটডোর লোকেশন থেকে দুটি চিঠি লিখেছিলেন মেয়েকে। সেই চিঠি দুটি পাঠ করলেন মেয়ে পৌলমী। বেঙ্গল টাইমসে সেই দুটি চিঠি।