মান্না দে–‌কে চিনেছি জেঠুর জন্যই

একটি পরিবারের সঙ্গে কীভাবে জড়িয়ে গিয়েছিলেন মান্না দে?‌ স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে তেমন কথাই উঠে এল। লিখেছেন অনন্যা দাস।

‌শিমূলতলায় নৈশ অভিযান

উঠল বাই, শিমূলতলা যাই। হঠাৎই চলে যাওয়া। তাও প্রায় ষোল বছর আগে। সারাদিন টেনে ঘুম, রাতে হ্যাজাক নিয়ে বেরিয়ে পড়া। এমনই নৈশ অভিযানের স্মৃতি উঠে এল সৌম্যদীপ সরকারের লেখায়। ঠিক...

দক্ষিণের তিন সৈকত

ভারতের দক্ষিণে তো আছেই। বাংলার দক্ষিণেও আছে সমুদ্র। বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরি আইল্যান্ডে অনেকেরই পা পড়েনি। এই তিন সৈকত নিয়ে পড়ে নিন চমৎকার একটি লেখা। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।

উত্তাল পাহাড়ে শান্তি এনেছিলেন জ্যোতি বসুই

আশির দশকেও পাহাড় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। কীভাবে সামাল দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু?‌ তাঁর জন্মদিনে সেই কথাই উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

ভ্রমণ: পুরীর পুরি

চিল্কায় গেলে সবারই কেমন একটা নাবিক নাবিক ভাব আসে। কিনে ফেলে হ্যাট, বাইনোকুলার। প্রচন্ড গোঁ ধরে আমরা অবশ্য শুধু বাইনোকুলারটাই কিনেছিলাম। চোখের সমস্যা ছিল কিনা জানি না, তবে বেশ মনে পড়ে, বাইনোকুলারের চেয়ে খালিচোখে দূরের জিনিস বেশি স্পষ্ট দেখা যেত! একেবারে কৈশোরে চিল্কা ও পুরী ভ্রমণের সেই অনুভূতি। স্মৃতির সরণি বেয়ে তুলে আনলেন সন্দীপ লায়েক।।

একেবারে নতুন করে শুরু করুক মেসি

সামনে ফ্রান্স। বিশেষজ্ঞরা বলবেন, কে কোনদিকে এগিয়ে। তুল্যমূল্য বিচারে হয়ত আর্জেন্টিনা পিছিয়েই থাকবে। থাকুক। কিন্তু স্কোরলাইনই শেষ কথা বলবে। তাই তাকিয়ে থাকব মেসির দিকে। সব হিসেব উল্টে দেওয়াই তো তার কাজ। রাঙিয়ে দিয়ে যাও। বিদায়বেলায় যেন হাতে বিশ্বকাপ দেখতে পাই।লিখেছেন সঞ্জীব রায়।।

এটা আবার বিশ্বকাপ নাকি!‌

যাই বল বাপু, আমাদের সেই সময়টা অনেক ভাল ছিল। চার বছর অন্তর একবারই মারাদোনা, রোমারিওদের দেখতে পেতাম। ক্লাবের মেসি ভালো না দেশের মেসি- এই বিতর্কের সুযোগই ছিল না। যা দেখতাম তাই অমৃত।আরে বাবা কষ্ট না করলে কেষ্ট মেলে? আমরা কষ্ট করতাম তাই আমাদের মারাদোনা ছিল, জিকো, প্লাতিনি ছিল। তাদের পাশে তোদের এই মেসি-রোনাল্ডো-নেইমার?

মারাদোনার সঙ্গে আমরাও যে কেঁদেছিলাম!‌

ফাইনালের সেই রাতটার কথা কখনই ভুলব না। একেবারে শেষপর্বে এসে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে পেনাল্টি দেওয়া হল। এডগার্ডো কোদেসাল লোকটাকে পেলে কী করতাম, কে জানে!‌ সেনসিনি, ভয়লার, ব্রেহমে নামগুলো এখনও ভুলতে পারি না। ভুলতে পারি না মারাদোনার সেই কান্না। সুদূর এই বাংলায় বসে আমরাও যে সেদিন কেঁদেছিলাম!‌

সেই গুলিট, আমার স্বপ্নের হিরো

কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে ফাইনালে উঠল নেদারল্যান্ড। আরে সেই নেদারল্যান্ড- যারা ১৯৭৪, ১৯৭৮-এর রানার্স। আরে জোহান ক্রুয়েফের নাম শুনিসনি? কিন্তু বিপক্ষে যে সোভিয়েত! বাঙালির তখনও বিপ্লব স্পন্দিত বুক। তখনও তার নিজেকে লেনিন বলে মনে হয়।

বিশ্বকাপ মানেই আমাদের সেই নতুন কেনা পোর্টেবল টিভি

টিভিটাও বদলে গেল। ছোটর বদলে বড়, সাদা–‌কালোর বদলে রঙিন। কিন্তু জীবন থেকে রঙগুলো কেমন যেন হারিয়ে গেল। তাই বিশ্বকাপ বললেই আমার কাছে ভেসে ওঠে সেই নব্বই সাল। ভেসে ওঠে আমাদের নতুন কেনা সেই ছোট্ট টিভিটা। ভেসে ওঠে ওই সুন্দর রাতগুলো।