গালুডি ও আমাদের সেই দোবরু পান্না
একদিকে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। অন্যদিকে সারি সারি পাহাড়ের মিছিল। তারই মাঝে পেয়ে গেলাম আরণ্যকের সেই দোবরু পান্নাকে।
একদিকে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। অন্যদিকে সারি সারি পাহাড়ের মিছিল। তারই মাঝে পেয়ে গেলাম আরণ্যকের সেই দোবরু পান্নাকে।
এভাবেই শুরু এক আশ্চর্য নির্মাণ…বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম কিশোর ক্ল্যাসিক “চাঁদের পাহাড়”। আর হ্যাঁ, ছাত্রদের চোখের মনি এই গরীব মাস্টার-ই অমর কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাত্র–শিক্ষক সম্পর্কের এক অজানা কাহিনী।
আশির দশকে প্রথম কলকাতায় আসা। তারপর থেকে প্রতিবছর শীতে তিনি কলকাতার অতিথি। শাল, সোয়েটার নিয়ে ঘুরে বেড়ান পাড়ায় পাড়ায়। কাশ্মীর থেকে আসা আলতাফের বয়ানে এক বিশেষ লেখা।
সেই রেডিওটা আজও আছে। ধুলো ঝেড়ে আর নামানো হয় না। আর ব্যাটারি ভরে প্রাণসঞ্চার করা হয় না। না বোঝা সেই মহালয়ার অনুভূতিটাও একটু একটু করে ফিকে হয়ে আসছে। ফেলে আসা সেইসব শরৎ–শিউলি ভোরের নস্টালজিয়া। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
আজ কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্রের জন্মদিন। তাঁর সাহিত্যমূল্য বিচার বা চরিত্রের বিশ্লেষণ নয়। ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠার নানা বাঁকে কীভাবে সঙ্গী হয়েছে তাঁর লেখা, তা নিয়ে স্মৃতিচারণধর্মী লেখা। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরী।
প্রায় ষোল বছর আগের কথা। বইমেলার শেষদিন। একটি ছবি ও তার অভিনব একটি ক্যাপশন। সেই মজার ঘটনার স্মৃতিচারণ করলেন সরল বিশ্বাস।।
স্বাধীনতা দিবস। একেক বয়সে একেক চেহারায় হাজির হয়। ছোটবেলায় ফুল নিয়ে স্কুলে যাওয়া। চকোলেট নিয়ে বাড়ি ফেরা। একটু বড় হয়ে, লুচি–আলুর দম। না বুঝে পালন করা সেই স্বাধীনতা দিবসের নস্টালজিয়া নিয়ে লিখলেন অন্তরা চৌধুরী।