আজীবন গর্ব করে বলব, আমাদের একটা সানি ছিল
আমরা গর্ব করে বলি, আমাদের একটা গাভাসকার ছিল। এই গর্ব আজীবন বয়ে বেড়াতে চাই। আমরা শচীন, কোহলিকে ভালবাসি। তাঁদের জন্যও গর্ব করি। কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের প্রশ্ন এলে চোখ বুজে মনে পড়ে দশ হাজার রানের সেই দৌড়টা। লিখেছেন সবুজ সরকার।
বৃষ্টিভেজা সেই আগন্তুক
মিল্লার সার্টিফিকেট, কী জানি বাবলুদার মনে আছে কিনা
হ্যাটট্রিক বললেই এখনও ভেসে ওঠে চেতনের মুখ
শেষ বলে ছয় মারার প্রসঙ্গ উঠলেই ভেসে ওঠে দুটি মুখ— জাভেদ মিয়াদাদ ও চেতন শর্মা। ঠিক তেমনি, বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক বললেও ভেসে ওঠে চেতন শর্মার মুখ। মহম্মদ সামি যেন আবার হারানো স্মৃতি ফিরিয়ে দিলেন।
সেই ছাতা ফেরত দেওয়াই হল না
স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ একটি ছাতা ও এক মাস্টারমশাইয়ের কাহিনি।
স্মৃতির সরণি বেয়ে….
নিজের মধ্যে পুষে রাখা জড়তার প্রাচীর ভেঙে ফেলুন। আপনার সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্মৃতি ভাগ করে নিন অন্যদের সঙ্গেও। তবে একটা কথা মাথায় রাখা ভাল, কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ বা কুৎসা না করাই ভাল। ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে দূরে থাকুন। খারাপ স্মৃতি তো সবারই থাকে। সেই কাদা ঘেঁটে, অন্যকে দোষারোপ করে লাভ কী? আমরা না হয় ভাল স্মৃতিগুলোকে নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। বেঙ্গল টাইমসের পাতায় সেই সুখস্মৃতি ভিড় করুক।
ঝাউবনের ছায়ায় ছায়ায়
অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।
মুকুলের ছায়া থেকে এখনও নিস্তার নেই কুশলের
সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৬ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল।
আমার আবদারেই হয়েছিল সোনার কেল্লা
একেবারে কাছ থেকেই দেখেছেন। ছেলে হিসেবে, সহকারী হিসেবে, বন্ধু হিসেবে। সন্দীপ রায়ের স্মৃতিচারণে উঠে এল অচেনা এক সত্যজিৎ রায়ের কথা।
