কফিহাউস সিরিজের সেই দ্বিতীয় গান। তেইশ বছর পর কেমন আছে সুজাতা ? নিখিলেশ, মঈদুলরাই বা কোথায় ? কফিহাউসের সেই টেবিলে আজ কি তাদের পরের প্রজন্ম ? এই নিয়েই নতুন করে রেকর্ড করেছিলেন মান্না দে। যা সচরাচর শোনা যায় না। জন্মদিনে কিংবদন্তি শিল্পীকে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য ।।
নীতা মারা গিয়েছিল। কিন্তু সেই সংলাপটা দিব্যি বেঁচে আছে। কালজয়ী হয়ে বেঁচে আছে ‘মেঘে ঢাকা তারা’। বাংলা ছবির সেই অমর সৃষ্টির দিকেই আলো ফেললেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।
ভেবেছিলাম, মাধ্যমিকের পরই স্বাধীন হব। তিন মাস চুটিয়ে উপভোগ করব। কিন্তু পরীক্ষা শেষ হতেই ঘোর গ্রীষ্ম। মাঠ ফাঁকা। পুকুর বা নদীতে জল নেই যে সাঁতার কাটব। কোথাও যাওয়াও হল না। মন দিলাম গোয়েন্দা কাহিনীতে। বেশিরভাগ গোয়েন্দার সঙ্গে তখনই পরিচয়। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।
প্রত্যেকের জীবনেই কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা স্বপ্নের পুরুষ। তেমনই স্বপ্নের পুরুষ ছিলেন কৃশানু দে। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মদিন। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে দুটি উজ্জ্বল স্মৃতির কথা মেলে ধরলেন দিব্যেন্দু দে।।
১৩ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব বেতার দিবস। অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে কাঠের বাক্সের সেই রেডিও। এখন রেডিওতে মন কী বাত হয়। কিন্তু সেই ফেলে আসা রেডিওকে নিয়ে আমাদের মনের কথাটা ঠিক কী? নস্টালজিয়ায় মোড়া দারুণ এক লেখা উপহার দিলেন সন্দীপ লায়েক।
সরস্বতী মানে কি শুধুই মেয়েদের শাড়ি পরা আর ছেলেদের মেয়ে দেখা? তার বাইরেও আরও অনেককিছু। পরের দিন অরন্ধন। যৌথ পরিবারে সে যেন এক মহারন্ধনের কর্মযজ্ঞ। ফেলে আসা সময়ে উকি দিয়ে টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো ফিরে দেখা। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
আমি কিছুক্ষণ পিছু নিলাম। কিন্তু ডাকার সাহস পেলাম না। কী জানি, কী মনে করবে! যদি অস্বস্তিতে পড়ে যায়! মাঝে প্রায় চোদ্দ–পনেরো বছর পেরিয়ে গেছে। সময়ের আয়নায় ধুলো জমে গেছে। তবু পাঁচবছর আগের সেই বইমেলার দুপুরটা বড় বেশি করে মনে পড়ে। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে বইমেলার কিছু টুকরো টুকরো স্মৃতি।
পড়ায় মনোযোগ নেই বলে বাবা মাঝে মাঝে ধমক দিচ্ছেন। একদিন হঠাৎ প্রাত্যহিকীর সঞ্চালক আমার নাম ঘোষণা করলেন। আমি আবেগে হাততালি দিয়ে উঠলাম। বাবা বুঝতে পারলেন কেন আমি রেডিওর সামনে বসে থাকতাম। বাবা খুব রাশভারী মানুষ। মন দিয়ে পুরো চিঠিটা শুনলেন। চিঠি শেষ হওয়ার পর আবার আমার নাম ঘোষণা হল। বাবার চোখের কোণে জল।স্মৃতির সরণি বেয়ে এমনই মুহূর্ত তুলে আনলেন শৈলেন মণ্ডল।।
বন্ধ সিনেমা হল নয়, এবার বৃদ্ধের অবলম্বন একটা পুরনো গ্রামোফোন রেকর্ড। সারাদিন বেজে চলে কলের গান। ফেলে আসা দিনে উঁকি মারা। সিনেমাওয়ালার পর নতুন এক চ্যালেঞ্জের সামনে পরান বন্দ্যোপাধ্যায়।
এখন ট্যুর অপারেটরদের পাল্লায় পড়ে বাঙালি অনেক দূরে দূরে যেতে শিখেছে। কথায় কথায় কাশ্মীর, রাজস্থান, আন্দামান ছুটছে। কেউ কেউ তো ইউরোপ, আমেরিকা ট্যুর করে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু ঘরের কাছে এই প্রিয় জায়গাগুলো যেন মানচিত্রের বাইরেই থেকে যাচ্ছে।
অথচ, কয়েক দশক আগেও ছবিটা এমন ছিল না। বাঙালি একটু অবসর পেলেই ছুটত শিমুলতলা, মধুপুর, গিরিডি, তোপচাঁচি, হাজারিবাগ। হাওয়া বদল বা পশ্চিমে যাওয়া বলতে এগুলোকেই বুঝত।