অনুজ কবি, সাহিত্যিকদের বলতেন, রোজ একটা সময় বেছে নাও। কিছুক্ষণের জন্য হলেও সাদা পাতার সামনে বোসো। হয়ত কোনও লেখাই এল না। বা যেটা লিখলে, সেটা একেবারেই পছন্দ হল না। হয়ত নিজে লিখে নিজেই ছিঁড়ে ফেলে দিলে। তবু, দিনের একটা সময় অন্তত সাদা পাতার সামনে বোসো। কিছু একটা লেখার চেষ্টা করো। মনে রাখবে, লেখাও একটা সাধনা। লিখতে বসলেই মাথায় ভাবনা ঠিক এসে যাবে। কলম বেয়ে ঠিক নেমে আসবে।
বিধানসভার শৃঙ্খলা রাখার ক্ষেত্রে শাসক দলের দায় সবসময় বেশি।কিন্তু শাসকদলের নেতা মন্ত্রীরা অধিকাংশক্ষেত্রেই এটা ভুলে যান। স্পিকাশ মশাইও ভুলে যান। তাই, শুভেন্দু অধিকারী এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করলেও তাঁকে তিরষ্কার করার সাহস স্পিকার মশাইয়ের নেই। এমনকী, মুখ্যমন্ত্রীরও নেই। কারণ, জানেন, তিরষ্কার করলেই পাখি উড়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী বেশ ভাল করেই জানেন, বিজেপিতে শুভেন্দু ইট পেতেই রেখেছেন।
বই পড়ার অভ্যেস ক্রমশ কমে আসছে। মানুষের সময় যেমন কমে আসছে, তেমনই ধৈর্যও কমে আসছে। বাংলা সাহিত্য কি তাহলে একটু একটু করে হারিয়ে যাবে? পরের প্রজন্ম কি বই পড়াই ছেড়ে দেবে? লাইব্রেরিগুলো কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে? প্রকাশনা সংস্থাগুলো কি ক্রমশ ধুঁকতে থাকবে? এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।
কোন ট্রেনে গিয়েছিলাম, কোথায় গিয়ে নেমেছিলাম, এতদিন পর আর মনে নেই। শুধু মনে আছে, ভোরেই ট্রেনে উঠেছিলাম। বোধ হয় ঘণ্টা তিনেক লেগেছিল। অনলাইন বুকিং নামক শব্দটা তখনও আমরা শুনিনি। নেমে শুনলাম, হোটেল–ফোটেল তেমন কিছু নেই। কারও বাড়িতেই থাকতে হবে। একটা ঠ্যালা ভ্যান জুটল। সে–ই একটা বাড়িতে নিয়ে গেল। আসার পথেই দেখছিলাম, একের পর এক বাড়ি। বাইরে তালা ঝোলানো। দরজায় শ্যাওলা জমে। কোনও অনুপ্রেরণা ছাড়াই নিজের নিয়মে লতা পাতা গজিয়ে গেছে। কেউ থাকে বলে মনে হয় না। সাম্প্রতিককালে কেউ এসেছে বলেও মনে হয় না। তাহলে এগুলো কাদের বাড়ি? কারা বানিয়েছেন? কেনই বা বানিয়েছেন?