ঘুরে আসুন ভুটিয়া মার্কেটে

শীতের দুপুরে নানা মেলার পাশাপাশি ঘুরে আসুন ভুটিয়া মার্কেটে। এই অনলাইন শপিংয়ের যুগে কেমন আছে সেই ভুটিয়া মার্কেট ? ঘুরে দেখে এলেন সংহিতা বারুই।।

ছেলেবেলার চকোলেট বোম আর সেই রূপকথার ‘‌বুড়িমা’‌

আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।

কোন অভিমানে হারিয়ে গেলেন পান্নালাল?

কিছুটা অকালেই হারিয়ে গিয়েছেন। কোন অভিমানে চলে গেলেন, কে জানে!‌ অথচ, তাঁর গান পেয়েছে অমরত্ব। মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পরেও দীপাবলি আর পান্নালাল মিলেমিশে একাকার। ব্যতিক্রমী এই শিল্পীকে নিয়ে লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

‌কর্মাটাঁড়ের হোমিওপ্যাথি ডাক্তার

শাক্য সেন মংপুতে তিনবার গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। থাকতেন মৈত্রেয়ী দেবীর বাড়িতে। বাড়িতে না বলে কোয়ার্টারে বলাই ভাল। মৈত্রেয়ী দেবীর স্বামী চাকরি করতেন কুইনাইন ফ্যাক্টরিতে। তাঁর বাংলোতেই অতিথি হয়ে উঠতেন বিশ্বকবি।...

সেই সর্দারজিরা যদি ফিরে আসতেন!‌

কলকাতা থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে। অনেক রাস্তায় ট্রাম দেখা যায় না। শীত এলে কাবুলিওয়ালা দেখা যায় না। রাস্তার ধারে খটাখট টাইপ রাইটার দেখা যায় না। সেই সর্দারজি ড্রাইভারদেরও আর কলকাতায় দেখা যায় না। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।

‌রামায়ণের হাত ধরে ফিরে আসুক সেই হারানো কৈশোর

আমাদের কৈশোর তখন অমিতাভ–‌মিঠুনে বিভক্ত। স্পষ্ট এক মেরুকরণ। তার মাঝে সবাইকে একছাতার তলায় এনেছিল সেই রামায়ণ। রবিবার সকাল মানেই রাস্তা ফাঁকা, সবাই তখন টিভির সামনে। কত টুকরো টুকরো স্মৃতি, কত নস্টালজিয়া। আবার যখন টিভির পর্দায় রামায়ণ ফিরে আসছে, তখন তিন দশক আগের স্মৃতি ফিরে এল সজল মুখার্জির লেখায়।

ফিরে এসো, প্রিয় ডাবল ডেকার

ষাট পেরোনো নস্টালজিয়া নিয়ে আবার খুঁজতে বেরোবো। ফিরে আসুক সেই ডাবল ডেকার। আবার সেই উদ্দেশ্যহীনভাবে না হয় বাসে উঠে পড়ব। ষাটোর্ধ্ব চোখ দিয়ে আবার খুঁজব আমার হারানো কলকাতাকে। লিখেছেন শ্যামল আচার্য।।

টাকার হাতছানি থেকে রেহাই দিন রামকৃষ্ণকে

রামকৃষ্ণ যদি চাইতেন, সামান্যতম ইচ্ছেও প্রকাশ করতেন, সেই যুগে তাঁকে সোনায় মুড়ে দেওয়ার জন্য প্রচুর মানুষ এগিয়ে আসতেন। এসেও ছিলেন। সেই ‘লোভ’-টাকে বর্জন করতে পেরেছেন বলেই আজ তিনি ঠাকুর রামকৃষ্ণ।সেই তাঁর ঘরেই কিনা, এত টাকা-পয়সার গন্ধ? খাট ঘিরে ওই দান বাক্সগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, ঠাকুর যেন কয়েদখানায় বন্দী! লিখেছেন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়।

চাঁদে মানুষ! অনেক প্রশ্ন ভাবিয়ে তোলে

এই দিনেই নাকি চাঁদে গিয়েছিলেন নিল আমস্ট্রং। পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেল। আর কেউ চাঁদে যেতে পারলেন না ? নিল আমস্ট্রংরা কি সত্যিই চাঁদে গিয়েছিলেন? নাকি বানানো এক গল্প? স্রোতের বিপরীতে গিয়ে অন্য এক ব্যাখ্যা তুলে আনলেন শুভেন্দু মণ্ডল।।

বিদিশার পথে পথে

বিদিশা নগরীর ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে আছে আজকের ভোপালের আশেপাশে। ভোপাল রাজধানী শহর। ছোটবড় অসংখ্য হোটেল। কিন্তু শহরের উপকণ্ঠে সাঁচিতে মধ্যপ্রদেশ ট্যুরিজমের গেটওয়ে রিট্রিটে যদি ঘর বুক করে, তাহলে শহরের কলাহল থেকে দূরে থেকে পারবেন, আবার সাঁচি, বিদিশার মতো জায়গাগুলির থেকে দূরত্বও কম হবে।