স্বপ্নের নগরী কল্যাণী সেভাবে বেড়ে উঠল কই!
কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।
রামকৃষ্ণ যদি চাইতেন, সামান্যতম ইচ্ছেও প্রকাশ করতেন, সেই যুগে তাঁকে সোনায় মুড়ে দেওয়ার জন্য প্রচুর মানুষ এগিয়ে আসতেন। এসেও ছিলেন। সেই ‘লোভ’-টাকে বর্জন করতে পেরেছেন বলেই আজ তিনি ঠাকুর রামকৃষ্ণ।সেই তাঁর ঘরেই কিনা, এত টাকা-পয়সার গন্ধ? খাট ঘিরে ওই দান বাক্সগুলোকে দেখে মনে হচ্ছিল, ঠাকুর যেন কয়েদখানায় বন্দী! লিখেছেন তপন বন্দ্যোপাধ্যায়।
সংস্কৃতির জন্য বাঙালির কতই না বড়াই। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কতই আদিখ্যেতা। কিন্তু বুকে হাত রেখে বলুন তো, কজন জোড়াসাঁকোয় গিয়েছেন। হাতের কাছেই, টিকিট লাগে না, চাইলেই যাওয়া যায়। এই রবীন্দ্র জয়ন্তীতে না হয় সেখান থেকেই ঘুরে এলেন। এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
ফেলুদা, ব্যোমকেশ কিরীটীর কথা হয়ত জানি। কিন্তু বাংলায় প্রথম কোন মহিলা সাহিত্যিক কি গোয়েন্দ কাহিনি লিখেছেন ? ঠিক ধরেছেন, আশাপূর্ণা দেবী। একদিকে আটপৌরে সংসারের কাহিনি, অন্যদিকে গোয়েন্দাকাহিনি। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন শোভন চন্দ।।
সরস্বতী মানে কি শুধুই মেয়েদের শাড়ি পরা আর ছেলেদের মেয়ে দেখা? তার বাইরেও আরও অনেককিছু। পরের দিন অরন্ধন। যৌথ পরিবারে সে যেন এক মহারন্ধনের কর্মযজ্ঞ। ফেলে আসা সময়ে উকি দিয়ে টুকরো টুকরো মুহূর্তগুলো ফিরে দেখা। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
সাধারণতন্ত্র দিবসে রইল সংবিধানের আত্মকথা। জন্মের ৬৯ বছর পর কী বলতে চায় আমাদের সংবিধান? কেন্দ্র, রাজ্য, পঞ্চায়েত সব জায়গায় সে নির্যাতিত। সেই নির্যাতনের কথা যেন নিজের মুখেই বলতে চাইছে আমাদের সংবিধান।
কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা টিপিক্যাল ভ্রমণ কাহিনী নয়। একেবারে ভিন্নস্বাদের বেড়ানোর গল্প। বেঙ্গল টাইমসে পড়ুন। আপনিও লিখুন। চেনা ছকে নয়, একেবারে আপনার নিজের মতো করে লিখুন।
তার আগে বার তিনেক দার্জিলিংয়ে গিয়েছি। কিন্তু সত্যি বলছি, ক্যাভেন্টার্সের কথা তার আগে কেউ বলেনি। তাই যাওয়াও হয়নি। সেখানে কার পা পড়েনি? সত্যজিৎ রায় থেকে ঋত্বিক ঘটক। অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খান্না। এডমন্ড হিলারি থেকে তেনজিং নোরগে। এতলোক যখন গিয়েছেন, তখন নিশ্চয় দামও আকাশছোঁয়া হবে। সে এক পাঁচতারা এলাহি ব্যবস্থা হবে। ভয়মিশ্রিত একটা রোমাঞ্চ নিয়েই গিয়েছিলাম।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
শুটিং ফ্লোরে কেমন ছিলেন মহানায়ক? দূর গ্রহের তারা, নাকি খোলামেলা? কৈশোরের স্মৃতি হাঁতড়ে তুলে আনলেন বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত।।