মেডিক্যালে এত কাণ্ড শুধুমাত্র ওই লোকটির জন্যই। তিনি সব জায়গায় পেটোয়া লোক তৈরি করতে চান। সব জায়গায় নিজের মৌরসিপাট্টা কায়েম করতে চান। এখানেও তেমনটাই চেয়েছিলেন।যে সিদ্ধান্তগুলো মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষই নিতে পারতেন, সেই সিদ্ধান্তগুলোও তাঁরা নিতে পারেননি শুধুমাত্র এই চিকিৎসক নেতার চাপে।লিখেছেন সন্দীপ ভট্টাচার্য।।
একুশে জুলাইয়ের পর আরও কিছুটা নিঃসঙ্গ অধীর চৌধুরি। জেলার আরও তিন বিধায়ক পা বাড়ালেন তৃণমূলে। আরও দুজন যাই যাই করছেন। ওদিকে দিল্লিও চটাতে চায় না মমতাকে। ফলে, অধীরের সামনে উভয় সঙ্কট। বিজেপিতে গেলে, সেই রাস্তাতেও অনেক কাঁটা ছড়িয়ে থাকবে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
বেঙ্গল টাইমসে উত্তম সপ্তাহ। নানা দৃষ্টিকোণ থেকে উত্তম কুমারকে ফিরে দেখা। কিছু ঘটনা, কিছু স্মৃতিচারণ। কোথাও কোথাও নানা বিতর্ককেও ছুঁয়ে যাওয়ার চেষ্টা। কিছু পুরনো, কিছু নতুন, সবমিলিয়ে মহানায়কের স্মরণে জমজমাট একটি সপ্তাহ।।
পঞ্চায়েতে যা হয়েছে, তা নাকি কিছুই নয়। এ নাকি নিছকই স্থানীয় বাধ্যবাধকতা। তার মানে লোকসভাতেও একি ফর্মুলা! সেই আশাতেই ৪২ এ ৪২ এর ডাক? একুশ কি তাহলে এই বার্তাই দিল? প্রশ্ন তুলেছেন ধীমান সাহা।।
বেড়ানোর ছবি। কিন্তু সেই ছবিটাই কিনা ভাবনা বদলে দিল ট্যুর অপারেটর হতে চলা চার বন্ধুর! অঞ্জন দত্তর এমনই এক ছবি ও বদলে যাওয়া চিত্রনাট্যের কথা উঠে এল সৌরদীপ সরকারের লেখায়।
দিন দিন প্রচণ্ড অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছে। পরিষ্কার বুঝতে পারছি, ওর পড়ায় মন নেই। বাথরুমেও যায় ফোন নিয়ে। খেতে বসে খাওয়ার দিকেও মন থাকে না। এতটাই অ্যাডিক্টেড হয়ে গেছে, এক মুহূর্তও ফোন ছাড়া থাকতে পারছে না। সোশাল সাইট আসক্তি নিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ উঠে এল নিবেদিতা পালের কলমে।
২২ জুলাই। মহুয়া রায়চৌধুরির মৃত্যুদিন। দেখতে দেখতে ৩৪ বছর হয়ে গেল। এমনই একটি দিনে হারিয়ে গিয়েছিলেন টলিউডের এই অভিনেত্রী। তাঁর স্মৃতিতে বিশেষ এই লেখা।